এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يٰايُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تُحِلُّوْ ا شَعَائِرِ اللهِ
অর্থ: “হে ঈমানদারগণ তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সমূহকে অসম্মান করো না।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে-
اَنْزِلُوْا النَّاسَ مَنَازِلَهُمْ
অর্থ: “তোমরা মানুষদেরকে সম্মান করো, তাদের পদমর্যাদা অনুযায়ী।” (মিশকাত শরীফ)
এমনিভাবে অসংখ্য পবিত্র আয়াত শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে সম্মানিত ব্যক্তি বা সম্মানিত বিষয়কে সম্মান করার জন্য আদেশ করা হয়েছে ও অসম্মান করতে নিষেধ করা হয়েছে। যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে যিনি সমস্তকিছুর মালিক রব উনাকে সৃষ্টি জীব কী করে অসম্মান করতে পারে। যারা কাফির মুশরিক তারাই উনাকে অসম্মান করবে। মহান আল্লাহ পাক উনাকে তুমি বলা জায়েয হবে না। বরং চরম বেয়াদবির শামিল। আদব সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
حُسْنُ الْاَدَبِ مِنَ الْاِيَانِ
অর্থ: “উত্তম আদব হল ঈমান উনার অন্তর্ভুক্ত।” (মিশকাত শরীফ)
যার আদব নেই সে বেয়াদব। হযরত আল্লামা জালালুদ্দীন রুমি রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ‘মসনবী শরীফ’ লেখার শুরুতে লিখেছেন, “মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট আদব রক্ষার ব্যাপারে তাওফীক চাচ্ছি। কেননা বেয়াদব মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত থেকে বঞ্চিত।”

