Tuesday, June 30, 2020

"১৪৪৫ হিজরী মনে রাখবা। কাফিররা প্রতিটা মুহুর্ত্বে প্রতিটা সময় ১৪৪৫ হিজরী গুনতেছে। আমরাও গুনতেছি।" →সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ'যম #রাজারবাগ শরীফের, 
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল্লাহ্ আসসাফফাহ্ আলাইহিস ছলাতু ওয়াস সালাম, তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

"১৪৪৫ হিজরী মনে রাখবা। কাফিররা প্রতিটা মুহুর্ত্বে প্রতিটা সময় ১৪৪৫ হিজরী গুনতেছে। আমরাও গুনতেছি।" 
→সুবহানাল্লাহ!
.
কাফিররা ১১৪৫ হিজরীতে প্লান করেছে তারা ১৪৪৫ হিজরীর মধ্যে তথা ৩০০ বছরের মধ্যে দুনিয়ার সমস্ত মুসলমানদেরকে ধ্বংস করে দিয়ে সারা বিশ্ব তাদের কব্জায় নিয়ে নিবে। সেই ৩০০ বছর তাদের পুর্তি হতে যাচ্ছে ১৪৪৫ হিজরীতে। বর্তমান ১৪৪১ হিজরী। অর্থাৎ, অার মাত্র ৪ বছরের মধ্যে কাফিররা দুনিয়ার সমস্ত মুসলমানদের ধ্বংস করে দিয়ে সারা পৃথিবী কর্তৃত্ব করবে। →নাউযুবিল্লাহ!!!
কাফিররা ১৪৪৫ হিজরী আসার এই মুহুর্ত্বতার হিসাব কাউন্ডাউন করা শুরু করে দিয়েছে। চীনের এক জায়গায় তারা ঘড়ি বসিয়ে হিসাব করতেছে ১৪৪৫ হিজরী আসার সময়টা।
>
কাফিররা চ্যালেঞ্জ করেছে ১৪৪৫ হিজরীর মধ্যে তারা মুসলমানদের পর্যদুস্ত করে ধ্বংস করে সারা পৃথিবী তাদের আয়ত্বে নিয়ে নিবে। 
.
#কিন্তুু_মুসলমানদের_জন্য_সু_সংবাদ_হচ্ছে:
.
কাফিরদের এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন: 
যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ'যম, সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল্লাহ্ আসসাফফাহ্ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ! 
.
>তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- 
"১৪৪৫ হিজরীর মধ্যে মুসলমানরা ধ্বংস হয়, নাকি কাফিররাই স্বদল বলে ধ্বংস হয়, সেটাই আমরা দেখবো। 
→সুবহানাল্লাহ! 
.
>তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- 
"১৪৪৫ হিজরীর মধ্যেই অবশ্যই অবশ্যই দুনিয়ার যমীন থেকে সমস্ত কাফিররাই ধ্বংস হয়ে যাবে কোন সন্দেহ নাই।
→ সুবহানাল্লাহ!
.
>তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
"সমস্ত মুসলমানরা যেন খালিছ ভাবে তওবা ইস্তিগফার করে মুমিন হয়ে যায় এবং কাফিরদের বিরুদ্ধে কঠিন ভাবে বদদোয়া করে। কাফিরদের ধ্বংস এখন শুধু চুরান্ত সময়ের অপেক্ষা...........!!

মুজাদ্দিদে আয'ম গাউছুল আজম,রাহবারে আয'ম হযরত আসসাফাহ আলাইহিস সালাম
👉তিনি প্রতি নিয়ত এভাবেই কাফেরদের কে বদ দোয়া করে থাকেন.. এবং সমস্ত কায়িনাত বাসীকে বদ দোয়া করার জন্য আদেশ মুবারক করে থাকেন..
সুবহানাল্লাহ 
তাই সমস্ত মুসলমানদের উপর ফরজ হচ্ছে সব সময় কাফেরদে উপর এভাবেই প্রতিনিয়ত বদ দোয়া করা.
যেন মহান আল্লাহ পাক তিনি কাফেরদের 
#ধংস করেদেন নিশ্চিন্ন করে দেন বীলিন করে দেন।
আমিন 
আমিন
 আমিন

অনলাইন ভিত্তিক কুরবানীর পশুর হাট শরীয়তসম্মত নয়

অনলাইন ভিত্তিক কুরবানীর পশুর হাট শরীয়তসম্মত নয়

অনলাইনে কুরবানীর পশু বেচা-কেনা করার অর্থ হচ্ছে কুরবানীর পশুর ছবি দেখিয়ে বেচা-কেনা করা। অথচ সম্মানিত শরীয়ত তথা দ্বীন ইসলামে প্রাণীর ছবি তোলা, তোলানো, দেখা ও দেখানো সবই হারাম।
ছহীহ বুখারী শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
إِنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَذَابًا عِنْدَ اللهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ الْمُصَوِّرُونَ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি ঐ সকল মানুষকে ক্বিয়ামতের দিন সবচেয়ে কঠিন শাস্তি দিবেন যারা ছবি তোলে বা আঁকে। নাউযুবিল্লাহ!
ছহীহ বুখারী শরীফ উনার মধ্যে আরো বণিূত রয়েছে-
قَالَ اللهُ تَعَالى: وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ ذَهَبَ يَخْلُقُ كَخَلْقِي
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, ঐ ব্যক্তির চেয়ে বড় যালিম বা অত্যাচারী কে রয়েছে, যে আমার সৃষ্টির সাদৃশ্য কোন প্রাণীর ছূরত তৈরী করে।
ছহীহ মুসলিম শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে-
كُلُّ مُصَوِّرٍ فِى النَّارِ يَجْعَلُ لَهُ بِكُلِّ صُورَةٍ صَوَّرَهَا نَفْسًا فَتُعَذِّبُهُ فِى جَهَنَّمَ
অর্থ: ছবি তোলনেওয়ালা, আঁকনেওয়ালা প্রত্যেকেই জাহান্নামে যাবে। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রতিটি ছবিকে প্রাণ দিবেন এবং সেগুলো তাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি দিতে থাকবে।
অনুরূপ আরো অসংখ্য হাদীছ শরীফ উনার বর্ণনার মাধ্যমে ছবি তোলা, আঁকা, রাখা, দেখা, দেখানো ইত্যাদি হারাম ঘোষণা করা করা হয়েছে। এবং ছবি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরকে বড় যালিম, কাফির ও জাহান্নামী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
দ্বিতীয়তঃ অনলাইন ভিত্তিক কুরবানীর পশুর হাট করা তথা কুরবানীর পশু বেচা-কেনা করার উদ্দেশ্য হচ্ছে, করোনা ভাইরাসকে সংক্রামক বা ছোঁয়াচে বলে মনে করা। অথচ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিধান মতে সংক্রামক বা ছোঁয়াচে, কুলক্ষণ ইত্যাদি বিশ্বাস করা কুফরী।
ছহীহ বুখারী শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
لاَ عَدْوَى وَلاَ طِيَرَةَ
অর্থ: ছোঁয়াচে বা সংক্রামক কোন রোগ নেই এবং কুলক্ষণ বলেও কিছু নেই।
তৃতীয়তঃ অনলাইনে কুরবানীর পশু বেচা-কেনা করা হলে কুরবানীর পশু নিখুঁত ও উপযুক্ত হওয়ার জন্য যে সমস্ত গুণ থাকা জরুরী তা সনাক্ত করা কখনোই সম্ভব নয়। ফলে উক্ত পশু কুরবানীর পশু হিসেবে অনুপযুক্ত হওয়ার কারণে তা দ্বারা কুরবানী করলে কুরবানী মোটেও শুদ্ধ হবে না।

সর্বোপরি কুরবানী ওয়াজিব ইবাদত। এই ইবাদত পালন করার জন্যে ঈমানদার বা মুসলমান হওয়া শর্ত। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, অনলাইনে পশু বেচা-কেনা করার কারণে পশু বিক্রেতা ও ক্রেতা উভয়ে করোনা ভাইরাসকে ছোঁয়াচে বিশ্বাস করে ঈমান নষ্ট করে ঈমানহারা হয়ে যাবে অর্থাৎ ঈমানদার বা মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে যাবে। আর প্রাণীর ছবির সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার কারণে বড় যালিম ও জাহান্নামী হিসেবে গণ্য হয়ে যাবে। নাউযুবিল্লাহ!
অতএব, অনলাইন ভিত্তিক কুরবানীর পশুর হাট থেকে সকলকে বিরত হওয়া ঈমানী দায়িত্ব।

#কৃতজ্ঞতা: al-ihsan.net

করোনা ভাইরাস ~ কত গভীর ষড়যন্ত্র একবার ভেবে দেখেছেন কী ?

করোনা ভাইরাস ~ কত গভীর ষড়যন্ত্র একবার ভেবে দেখেছেন কী ? 

করোনা ভাইরাসকে মুসলিমদের জান মাল ও ঈমান নষ্ট করার একটি মোক্ষম হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করছে বিধর্মীরা। মুসলিমদের উদাসীনতা ও অজ্ঞতার কারণে তারা তাদের ষড়যন্ত্রে যে পুরোপুরি সফল তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। 

তাদের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে একটি ওভারঅল আইডিয়া দেওয়ার চেষ্টা করছি : 

১. কুফরী ছোঁয়াচে রোগে বিশ্বাস করাচ্ছে মুসলিমদের - 
হাদীস শরীফ অনুযায়ী ছোঁয়াচে রোগ বলে কিছুই নেই। কিন্তু বিধর্মীরা তাদের ভুয়ো ছোঁয়াচে রোগের থিওরী বিশ্বাস করিয়ে কুফরী করাতে পেরেছে দুনিয়ার মুসলিমদের। 

২. গরীব ও মধ্যবিত্তের স্বার্থ বিরোধী লকডাউন, কাল্পনিক ও ভুয়ো রেড-ইয়োলো-গ্রিন জোন - 

তথাকথিত লকডাউন একটা ভাঁওতাবাজি ছাড়া যে কিছুই নয় সেটা বেশিরভাগ মানুষ এখন বুঝতে পেরেছে। লকডাউনের ফায়দা লুটছে কেবলমাত্র এক শ্রেণীর অসৎ ব্যবসায়ী ও নেতারা। কিন্তু এর ফলে কত মানুষ যে বেকার হয়ে গেল, তাদের ফ্যামিলি পথে বসে গেলো, কত মানুষ না খেয়ে মরলো, কত মানুষ যে বিনা চিকিৎসাতে মরলো - তার ক্ষতিপূরণ কে দেবে ? 

এর ক্ষতিপূরণ কখনোই আর দেওয়া সম্ভব হবে না। 

৩. সুন্নাতী মুসাফাহা ও মুয়ানাকা করতে চায় না মুসলিমরা - 

বিধর্মীদের বিভ্রান্তিকর অপপ্রচারের ফলে মুসলিমরাও তথাকথিত ৩ ফুট বা ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখার কাল্পনিক ও ভুয়ো থিওরীতে বিশ্বাস করছে। যার ফলে তারা সুন্নাতী মুসাফাহা ও মুয়ানাকা করার প্রতি অবজ্ঞা দেখাচ্ছে যা ক্ষেত্রবিশেষে কুফরী। বিধর্মীরা তাদের ধর্মীয় সমস্ত বিষয় আগের মতোই বজায় রেখেছে। তাদের পা ফাঁদে পা দিয়েছে কেবলমাত্র মুসলিমরা। 

৪. নামাজে ৩ ফুট বা ৬ ফুট দূরত্বে দাড়ানো -

নামাজের কাতারে যে ফাঁক রাখা শরীয়তসম্মত নয় তা প্রত্যেক সচেতন মুসলিম মাত্রই জানেন। কিন্তু আমরা কি দেখতে পেলাম ? দেখলাম যে মুসলিমরা নামাজের কাতারে বিরাট বিরাট ফাঁক রেখে দাঁড়াচ্ছে। 

মুসলিমদের ঈমান কোথায় গেলো ?  

৫. মসজিদ ও ঈদগাহ বন্ধ করেছে মুসলিমরা - 

গজবের সময় আরো বেশী বেশী মহান আল্লাহ পাকের স্মরণ করা উচিত ছিলো মুসলিমদের, বেশী বেশী মসজিদে সময় কাটানো উচিত ছিলো। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেলো যে মুসলিমরা মসজিদই বন্ধ করে বসে আছে। এমনকি ঈদগাহ অবধি বন্ধ করে দিয়েছে। 

এর ফল কি ভালো হবে ? কোন মুসলিম কি মসজিদ ও ঈদগাহ বন্ধ করে দিতে পারে ? 

৬. টিভিতে খতম তারাবীহ পড়ানো যা শুনে ঘোড়াও হাসবে -  

টিভিতে তারাবীহ খতম পড়ানো নামক একটা পাগলের প্রলাপ শোনা গেছে যা শুনে হয়ত জন্তুরাও হাসবে কিন্তু এই থিওরীও সমর্থন করতে দেখা গেছে প্রচুর মানুষকে যা দেখে নিজের চোখকেও বিশ্বাস করা মুশকিল। 

৭. স্যানিটাইজার অর্থাৎ অ্যালকোহল দিয়ে হাত ধোয়া শিখিয়েছে মুসলিমদের - 

মার্কেটে যেসমস্ত স্যানিটাইজার পাওয়া যায় তাতে আছে অ্যালকোহল, সেটি হাতে লাগালে ও জামা কাপড়ে লাগলে তা নাপাক হয়ে যাবে। মুসলিমরা কিভাবে তা ব্যবহার করতে পারে ? 

৮. রোগীকে দেখার সুন্নত আদায়ে বাধা দিচ্ছে - 

হাদীস শরীফে আছে যে রোগীকে দেখতে যাওয়া সুন্নাত, প্রত্যেক সচেতন মুসলিম মাত্রই জানেন। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে দেখা গেলো কারো সামান্য জ্বর সর্দি কাশি হলে তাকে অস্পৃশ্য হিসাবে ট্রিট করছে মানুষ, একঘরে করে দিচ্ছে। নিজেদের মুসলিম দাবী করে এটা কিভাবে করতে পারে মানুষ? 

৯. করোনাকে উপলক্ষ্য করে তৈরী করা হয়েছে অযথা আতঙ্ক - 

আতঙ্ক একটি ব্যবসা যার দ্বারা লাভবান হয় বিশেষ বিশেষ ইন্ডাস্ট্রি। করোনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি করা হয়েছে একটা অদ্ভুত আতঙ্ক, যার কোন ভিত্তি নেই। মানুষ একে অপরকে অচ্ছুৎ ভাবতে শুরু করেছে। বিষয়টি নিয়ে ফিকির করতে হবে মুসলিমদের। 

১০. মাস্ক পরা স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর, কিন্তু তারপরও মাস্ক না পরলে জেল- জরিমানা আইন করা হয়েছে - 

মাস্ক পরা নিয়ে নিউজে অনেক সংবাদ দেখেছি যে মানুষ শ্বাসকষ্ট সহ নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। এছাড়া WHO এর প্রেস রিলিজ ও অন্যান্য চিকিৎসকরা রায় দিয়েছেন যে যারা রোগে আক্রান্ত তারাই কেবলমাত্র মাস্ক পরবে, বাকিদের দরকার নেই। তা সত্বেও এমন আইন কিভাবে তৈরী করে ! ভয় ভেঙে আমাদের প্রতিবাদ করা উচিত ছিল না ? 

১১. লকডাউনের কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতি ও বেকারত্ব বৃদ্ধি হয়েছে - 

লকডাউনের ফলে প্রচুর মানুষের চাকরী চলে গেছে, ব্যবসা নষ্ট হয়েছে। অনেক মানুষ অভুক্ত থাকছেন, ভিখারীদের ভিক্ষা দেওয়ার মতোও কেউ নেই এমন অবস্থা। এর জন্য পাবলিক নিজেরাই দায়ী। তারা যদি ছোঁয়াচে রোগের গল্প ও লকডাউনের ভুয়ো থিওরীতে বিশ্বাস না করতো তাহলে এটা হতো না। 

১২. মানুষ স্বাভাবিক ভাবে মারা যাচ্ছে, কিন্তু প্রচার করা হচ্ছে করোনার নামে - 

আগেই বলেছি যে আতঙ্ক একটি ব্যবসা এবং সেই আতঙ্ক ব্যবসায়ীরা আতঙ্ক জিইয়ে রেখে ব্যবসা করতে চায়। যার ফলে দেখা গেছে স্বাভাবিক মৃত্যু হলেও করোনাতে মরেছে বলে প্রচার করা হচ্ছে। গুজবপ্রিয় মানুষ সহজেই এইগুলি লুফে নেয়, তারাই ছড়িয়ে দেয় এই গুজব; চলতে থাকে আতঙ্ক ব্যবসা। 

এছাড়া টাকার বিনিময়ে করোনা পজিটিভ - নেগেটিভ 
ও হয়ে যাচ্ছে। 

১৩. করোনা নিয়ে আতঙ্ক তৈরীর কারনে মানুষ চিকিৎসা পাচ্ছে না - 

করোনার আতঙ্কে অনেক ডাক্তাররাই আন্ডারগ্রাউন্ড হয়ে গেছে, তাদের পাওয়া মুশকিল , তারা রোগী দেখে না। এছাড়া লক ডাউনের ফলে যানবাহনের অপ্রতুলতা তো আছেই। 

কত মানুষের যে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হয়েছে তার ইয়ত্তা নেই। 

১৪. ছোঁয়াচে রোগে বিশ্বাসের কারণে মানুষের মনুষত্ব লোপ পেয়েছে - 

করোনা পরিস্থিতিতে দেখা যায় মানুষ আরেকটা মানুষকে অচ্ছুৎ এর মতো ট্রিট করছে, বাড়িতে যেতে আসতে দিচ্ছে না, দেখা সাক্ষাৎ করছে না, কোন সহমর্মিতা নেই। মুসলিমদের তো এমন হওয়ার কথা ছিল না ! ভেবে দেখতে হবে মুসলিমদের অবশ্যই। 

১৫. অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণে মানুষ শহর ছেড়ে গ্রামে চলে যাচ্ছে।

লক ডাউনের ফলে অনেক মানুষের চাকরী চলে গেছে, ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের ব্যবসা নষ্ট হয়ে গেছে। যার ফলে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। শহর ছেড়ে তারা গ্রামে যেতে বাধ্য হচ্ছে রুজি রোজগারের কোন ব্যবস্থা না থাকায়। 

এখনো কি ভেবে দেখার সময় আসে নি যে করোনা নয়, আতঙ্ক ব্যবসায়ীদের তৈরী আতঙ্ক দিয়ে মুসলিমদের জান মাল ও ঈমানের ক্ষতি হয়েছে ও হচ্ছে ?

মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ্, আফযলুন নিসা ওয়ান নাস বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের বেমছাল শান-মান মুবারক।

মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ্, আফযলুন নিসা ওয়ান নাস বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের বেমছাল শান-মান মুবারক।

যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَلنَّبِـىُّ اَوْلـٰى بِالْمُؤْمِنِيْـنَ مِنْ اَنْفُسِهِمْ وَاَزْوَاجُهۤٗ اُمَّهٰتُهُمْ.
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন মু’মিন উনাদের নিকট উনাদের জানের চেয়ে অধিক প্রিয়, উনাদের মহাসম্মানিত পিতা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং উনার মহাসম্মানিত ‘আযওয়াজুম মুত্বহ্হারাত’ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম) উনারা হচ্ছেন সমস্ত মু’মিন উনাদের মহাসম্মানিত মাতা আলাইহিন্নাস সালাম।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৬)
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মাধ্যমে যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলকে জানিয়ে দিয়েছেন যে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরেই হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্মানিত মাক্বাম মুবারক।” সুবহানাল্লাহ!
হযরত উবাই ইবনে কা’ব রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বলেন, পূর্ববর্তী সমস্ত আসমানী কিতাব মুবারকসমূহে রয়েছে-
اَلنَّبِـىُّ اَوْلـٰى بِالْمُؤْمِنِيْـنَ مِنْ اَنْفُسِهِمْ وَهُوَ اَبٌ لَّـهُمْ وَاَزْوَاجُهۤٗ اُمَّهٰتُهُمْ.
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন মু’মিন উনাদের নিকট উনাদের জানের চেয়ে অধিক প্রিয় এবং উনাদের মহাসম্মানিত পিতা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। আর উনার মহাসম্মানিত ‘আযওয়াজুম মুত্বহ্হারাত’ তথা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হচ্ছেন সমস্ত মু’মিন উনাদের মহাসম্মানিত মাতা আলাইহিন্নাস সালাম।” সুবহানাল্লাহ! 
সুতরাং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন সমস্ত মু’মিন উনাদের মহাসম্মানিত পিতা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হচ্ছেন সমস্ত মু’মিন উনাদের মহাসম্মানিত মাতা আলাইহিন্নাস সালাম। সুবহানাল্লাহ!
এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মু’মিন বলতে একমাত্র যিনি খালিক্ব¡ মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারাসহ সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলেই উদ্দেশ্য। সুবহানাল্লাহ! উনারা সকলেই মু’মিন। উনারা প্রত্যেকেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সম্মানিত ঈমান মুবারক এনেছেন। সুবহানাল্লাহ! কোনো হযরত নবী আলাইহিস সালাম উনাকে সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক দেয়া হয়নি, কোনো হযরত রসূল আলাইহিস সালাম উনাকে সম্মানিত রিসালাত মুবারক দেয়া হয়নি; যতক্ষণ পর্যন্ত না উনারা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সম্মানিত ঈমান মুবারক এনেছেন। সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সম্মানিত ঈমান মুবারক আনার পরেই মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সম্মানিত নুবুওওয়াত ও রিসালাত মুবারক হাদিয়া মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
কাজেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হচ্ছেন একমাত্র যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা ব্যতীত সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারাসহ সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলেরই মহাসম্মানিত মাতা আলাইহিন্নাস সালাম। সুবহানাল্লাহ! উনাদের সম্মানার্থেই সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারাসহ সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলেই সমস্ত প্রকার সম্মানিত নি‘য়ামত মুবারক হাছিল করেছেন, করছেন এবং অনন্তকাল যাবৎ হাছিল করতেই থাকবেন। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা শুধু যিনি খ¦ালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের অধিকারিণী। সুবাহানাল্লাহ! উনারা সমস্ত কিছুর মূল এবং মালিক। সুবহানাল্লাহ! উনারা হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরও মহাসম্মানিত মাতা আলাইহিন্নাস সালাম অর্থাৎ উনারা হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরও মূল এবং মালিক। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্মানিত মাক্বাম মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের বেমছাল শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক সম্পর্কে যিনি খলিক্ব যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مُسْلِمٰتٍ مُّؤْمِنٰتٍ قٰنِتٰتٍ تٰٓئِبٰتٍ عٰبِدٰتٍ سٰٓئِحٰتٍ
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট আত্মসমর্পণকারিণী, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি বিশ্বাসস্থাপনকারিণী, প্রত্যেকেই অত্যন্ত অনুগতা, প্রত্যেকেই তাওবাকারিণী, প্রত্যেকেই অত্যন্ত ইবাদাতকারিণী, প্রত্যেকেই অনেক রোযাদার।” সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা তাহ্রীম শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৫)
مُسْلِمٰتٍ مُّؤْمِنٰتٍ قٰنِتٰتٍ تٰٓئِبٰتٍ عٰبِدٰتٍ سٰٓئِحٰتٍ
এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহহির, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “এই মহাসম্মানিত আয়াত শরীফ উনার মধ্যে স্বয়ং যিনি খলিক্ব যিনি মালিক যিন রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজে ইরশাদ মুবারক করেন, উনাদের ছিফত মুবারক হচ্ছেন,
مُسْلِمَاتٍ উনারা মুসলমান। অর্থৎ মুসলমানিত্বর যে মাক্বাম, সেটার মূল মালিক, অধিকারী হচ্ছেন উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! উনাদের প্রতি ঈমান আনলেই মানুষ মুসলমান হতে পারে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
 مُؤْمِنَاتٍ উনারা ঈমানদার। অর্থাৎ মু’মিন হওয়ার, ঈমানদার হওয়ার যে মূল মাক্বাম, সেটারও মূল মালিক হচ্ছেন উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! উনাদের প্রতি বিশুদ্ধ আক্বীদাহ পোষণ করলে, সে হাক্বীক্বী ঈমানদার হতে পারবে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
 قَانِتَاتٍ এখানে قَانِتَاتٍ এই মহাসম্মানিত লফয মুবারক উনার একাধিক অর্থ। একখানা অর্থ মুবারক হচ্ছেন- অনুগতা অর্থাৎ নামায, রোযা, ইবাদত-বন্দেগী যারা বেশী করে থাকেন, উনাদের মূল হচ্ছেন উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এখন উনাদের প্রতি হুসনে যন, বিশুদ্ধ আক্বীদাহ রাখলেই বেশী বেশী ইবাদত-বন্দেগী, নামায-কালাম ইত্যাদি আদায় করা সহয এবং সম্ভব হবে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! 
تَائِبَاتٍ খালেছ তওবাকারী। তওবাকারীর অনেক অর্থ। একখানা অর্থ মুবারক হচ্ছেন- প্রত্যাবর্তনকারী অর্থাৎ এই তওবার যে মাক্বাম, সে মাক্বামের মূল মালিক হচ্ছেন উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! উনাদের সাথে খাছ নিসবত, ক্বুরবত, মুহব্বত রখলেই সমস্ত বান্দা-বান্দী, জিন-ইনসানের পক্ষে খালেছ তওবা করা সহয এবং সম্ভব হবে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
عَابِدَاتٍ খালিছ আবেদ। অর্থাৎ আবদিয়াতের যে মাক্বাম সেই সম্মানিত মাক্বাম মুবারক উনার মূল মালিক, অধিকারী হচ্ছেন উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
অর্থাৎ উনাদের নিসবত, ক্বুরবত, মুহব্বত যদি হাছিল করা যায়, উনাদের প্রতি হুসনে যন পোষণ করা যায়, তাহলে আবদিয়াতের মাক্বাম হাছিল সহয এবং সম্ভব। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
 سَائِحَاتٍ অর্থাৎ ছমাদিয়ত। ছমাদিয়াতের মাক্বামেরও মালিক উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! উনাদের সাথে মুহব্বত রাখলে, নিসবত রাখলে, ক্বুরবত হাছিল করলে, তাদের পক্ষে একমাত্র এই ছমাদিয়াতের মাক্বামের হিস্সা হাছিল করা সহয এবং সম্ভব। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! অর্থাৎ উনারা একমাত্র যিনি খালিক, যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং মহাসম্মানিত হাবীব, মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের ব্যতীত সমস্ত কিছু থেকে বেনিয়ায। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! 
বান্দার পক্ষ থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ মাক্বাম হচ্ছে আবদিয়াতের মাক্বাম এবং মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ মাক্বাম হচ্ছে ছমাদিয়াতের মাক্বাম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এই সম্মানিত মাক্বাম মুবারক উনাদের মালিক হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক কতো বেমেছাল সেটা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের চিন্তা ও কল্পনার ঊর্ধ্বে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এক কথায় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা শুধু যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের অধিকারী হচ্ছেন উনারা।” সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...