Sunday, November 14, 2021

উত্তম আমল হলো সুন্নতী আমল, সর্বশ্রেষ্ঠ খাবার সুন্নতী খাবার, সর্বোত্তম পোশাক সুন্নতী পোশাক

 উত্তম আমল হলো সুন্নতী আমল, সর্বশ্রেষ্ঠ খাবার সুন্নতী খাবার, সর্বোত্তম পোশাক সুন্নতী পোশাক


====================


পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার ফযীলত সীমাহীন। কিন্তু কে না চায় এই সীমাহীন ফযীলত উনার পরিপূর্ণ ফায়দা হাছিল করতে? কে না চায় ফযীলত অর্জন করতে? কে চায় না যে সমস্ত নিয়ামত হাছিল হোক? সবাই চায়। সবাই ভালো জিনিস ও নিয়ামতরাজি চায়। কিন্তু কিভাবে সম্ভব? 

এখন প্রশ্ন হলো ভালো খাওয়া ও ভালো পরার মধ্যে কোনটি উত্তম?

এককথায় বলতে গেলে উত্তর হলো, সর্বশ্রেষ্ঠ খাবার সুন্নতী খাবার, সর্বোত্তম পোশাক সুন্নতী পোশাক। সুবহানাল্লাহ!

যিনি শাহিদুন নবী, হাযির নাযীর, মুত্তালা’ আলাল গইব, মুবাশশির, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদের জন্য সম্মানিত আদর্শ মুবারক। পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ

অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যেই রয়েছেন আপনাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২১)

অর্থাৎ একজন মুসলমান তাঁর মাথার তালু থেকে পায়ের তলা, হায়াত থেকে মওত, এমনকি হায়াতের পূর্ব থেকে মওতের পর পর্যন্ত, তিনি কি খাবেন, কি পরবেন, কিভাবে চলবেন, এক কথায় উনার যাবতীয় করণীয় কর্তব্য সম্পর্কে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম পরিপূর্ণ বর্ণনা মুবারক করেছেন। সুতরাং মনগড়াভাবে কোনকিছু করার সুযোগ নেই। সুতরাং যারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করবেন অর্থাৎ যারা মুসলমান হবেন, পুরুষ কিংবা মহিলা, উনারা কি খাবেন এবং কি ধরণের পোশাক পরিধান করবেন সেটাও শিখতে হবে এবং দেখতে হবে যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কি পোশাক-পরিচ্ছদ মুবারক পরিধান করেছেন, প্রত্যেকটাই আমাদের জন্য আদর্শ মুবারক। তথা পায়ের তলা থেকে মাথার তালু, হায়াত থেকে ইন্তেকাল পর্যন্ত একজন মানুষ কি খাবেন, কি পরবেন, কি ব্যবহার করবেন সেসবগুলি উত্তম আদর্শ মুবারক থেকেই অনুসরন অনুকরন করতে হবে।

কাজেই নির্দিধায় বলা যায় যে, পবিত্র আশুরা শরীফ উনার উত্তম আমল হলো সুন্নতী আমল, সর্বশ্রেষ্ঠ খাবার সুন্নতী খাবার, সর্বোত্তম পোশাক সুন্নতী পোশাক। সুবহানাল্লাহ!

আর উক্ত বরকতময় সুন্নতী খাবার, সুন্নতী পোশাক, সুন্নতী আমলের সামগ্রীসমূহ পাবেন রাজারবাগ শরীফে ‘আন্তর্জাতিক মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্রে’। সুবহানাল্লাহ!


#12shareef #Saiyidul_Aayaad_Shareef #সাইয়্যিদুল_আইয়াদ_শরীফ

শিশু সন্তানের কানে আযান-ইক্বামত বলা সুন্নত

 শিশু সন্তানের কানে আযান-ইক্বামত বলা সুন্নত


==========================================


সন্তান ভুমিষ্ট হবার পর তার কানে আযান-ইক্বামত দেয়া একটি সুন্নত আমল এবং ইসলামী তাহযীবের অন্তর্ভুক্ত।


ছেলে সন্তান ও মেয়ে সন্তান প্রত্যেকের জন্মগ্রহণের পর নাড়ী কেটে, গোসল করিয়ে তারপর ডান কানে আযান ও বাম কানে ইক্বামত বলতে হয়।


সন্তান দুনিয়ায় আগমনের পরমুহূর্তে তার নিকট তার যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক সুবহানাহূ ওয়া তায়ালা উনার মহিমা এবং উনার যিনি শ্রেষ্ঠতম নবী ও রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহিমা ঘোষণা করার উদ্দেশ্যেই আযান ও ইক্বামত বলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দুনিয়ায় এসেই শিশুর কানে মহান আল্লাহ পাক উনার তাওহীদ মুবারক ও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার রিসালাত মুবারক ধ্বণিত হলো যাতে করে দুনিয়ায় অবস্থানকালে এবং দুনিয়া হতে বিদায়গ্রহণকালে সর্ব অবস্থায় তার মুখে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের নাম মুবারক ও উনাদের ছানা ছিফত মুবারক উচ্চারিত হয়। অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুবারক নামে বান্দা ও উম্মতের জীবনের সূচনা এবং উনাদের মুবারক নামেই জীবনের অবসান এটাই ইসলামী বা মুসলমানী জিন্দেগীর রূপরেখা।


ক্বীমিয়ায়ে সাআদাত কিতাবে শিশু সন্তানের কানে আযান ও ইক্বামত বলার ফায়দা সম্পর্কে আরো বর্ণিত রয়েছে যে, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে, শিশুরা সাধারণত রোগ প্রবণ হয়ে থাকে। তাদের কানে আযান ও ইক্বামত বলা হলে উনাদের বরকতে তাদের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং মহান আল্লাহ পাক উনার রহমতে তারা নানারকম রোগ-বিমারী হতে নিরাপদ থাকে। সুবহানাল্লাহ!


উল্লেখ্য, শিশু সন্তানের কানে যে আযান-ইক্বামত বলা হয় এটাকে তা’যীন বলে। এ আযান-ইক্বামত উনাদের বাক্যসমূহ আর সম্মানিত নামায উনার আযান ও ইক্বামত উনাদের বাক্যসমূহের মধ্যে সামান্য পার্থক্য রয়েছে। যেমন এ আযানের বাক্যসমূহ ফজরের আযানের মতো না হয়ে অন্যান্য ওয়াক্তের আযানের বাক্যসমূহের ন্যায় হবে। আর এ ইক্বামত উনার মধ্যে “ক্বদ ক্বামাতিছ ছলাহ” বলতে হবে না। তদ্রূপ বলার ক্ষেত্রেও কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। অর্থাৎ সম্মানিত নামায উনার আযান ও ইক্বামত যেভাবে উচ্চস্বরে দিতে হয় সেভাবে উচ্চস্বরে সন্তানের কানে আযান ও ইক্বামত বলতে হয় না। বরং স্বাভাবিক ও অল্প স্বরে আযান ও ইক্বামত বলতে হবে। আযান উনার বাক্যসমূহ ইক্বামত অপেক্ষা কিছুটা দীর্ঘ ও স্বাভাবিক স্বরে বলতে হবে যেনো আযান ও ইক্বামত উনাদের মধ্যে পার্থক্য বোঝা যায়।


মহান আল্লাহ পাক সকলকে সুন্নত মোতাবেক জীবন গড়ার তাওফিক দান করুন। আমীন।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...