Friday, June 26, 2020

পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট নিয়ে জটিলতা বাড়াচ্ছে কারা?

পবিত্র কুরবানীর পশুর হাটগুলোকে ঢাকা শহরের প্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ঢাকা শহরের উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব কিংবা পশ্চিম প্রান্তের কোনো এক হাট থেকে কুরবানীর পশু কিনে শহরের অভ্যন্তরে নিয়ে আসতে হবে। কিন্তু ঢাকা শহরটা একেবারে এমন ছোট শহর নয়। কমপক্ষে ২০০ বর্গকিলোমিটার। ঢাকা শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে কোনো ব্যক্তির পক্ষে যেকোনো প্রান্ত থেকে একটা গরু কিনে আনতে কমপক্ষে ৭ থেকে ১০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হবে। অর্থাৎ গরু কিনতেই গোটা দিন শেষ। এরপর যদি পবিত্র কুরবানীর পশুকে সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যেতে হয় সিটি কর্পোরেশনের শ্লটার মেশিনে জবাই করে নিয়ে আসার জন্য, তাহলে ধরে নেয়া হয় যবাই করার জন্যও সারাটা দিনই ব্যয় করতে হবে (ভিআইপি এবং অন্যরা কেউ কেউ হয়তো সিটি কর্পোরেশনকে টু-পাইস দিয়ে তারাতারি করিয়ে আনতে পারবেন, সেটা আমার বিবেচ্য নয়)। আমাদের প্রতিবেশী মুশরিকটার দেশে কুরবানী করতে হলে এরকম সারাটা দিনই ব্যয় করতে হয়, অনেক দূরের জঙ্গলে নিয়ে যেতে হয়। নাউযুবিল্লাহ! 
আমাদের দেশটার জনগণের শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান। এখানে কুরবানী দিতে এত ধকল সইতে হবে কেন? পবিত্র ঈদুল আদ্বহার দিন নিজ হাতে কুরবানী দেয়া সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। পবিত্র কুরবানীর গরু কিনতে ঢাকা শহরের প্রান্তে চলে যেতে হবে, সুন্নত মুবারক আদায় করে পবিত্র কুরবানী করা যাবে না- মুসলমানদের দেশে মুসলমানরা সম্মানিত শরীয়ত উনার আমল করতে পদে পদে বাধাগ্রস্ত হতে হবে। আমাদের দেশের সরকারতো মুসলমানই বটে। মুসলমানরা যাতে নির্বিঘেœ-নির্ঝঞ্জাটে কুরবানীর আমলটা করতে পারেন, সেজন্য সরকারের সব রকমের সুব্যবস্থা দরকার ছিল। সেটা কোথায়? 
সম্মানিত পাঠক, মুসলমানদের দেশে মুসলমানদের প্রতি এরকম বৈষম্যমূলক আচরণকে মেনে নিতে আমার খুবই কষ্ট হচ্ছে। বিষয়টা কি আপনাকে ব্যথিত করে?

পবিত্র কুরবানীর হাট নিয়ে চলছে গভীর ষড়যন্ত্র!

পবিত্র কুরবানীর হাট নিয়ে চলছে গভীর ষড়যন্ত্র!

কয়েক বছর ধরে দেখা যাচ্ছে কিছু ইসলামবিদ্বেষী মহল কুরবানীর হাট বন্ধ করার জন্য নানা অযুহাত দেখিয়ে জোর প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিবছরের মত এই কুচক্রী মহল এবারও বেশ সক্রিয় হচ্ছে। এরা বিভিন্ন রকম ভুল তথ্য ছড়িয়ে কুরবানীর হাট সম্পর্কে প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছে। এসমস্ত ইসলাম বিদ্বেষী কুচক্রী মহলকে বলবো, তোমরা মুসলমান নামধারী হয়ে থাকলে খালিছভাবে তওবা ইস্তেগফার করো, নয়তো কাফেরদের আযাব গজবের মধ্যে পড়ে নিস্তানাবুদ হওয়ার অপেক্ষায় থাকো। 
সরকারের উচিত হবে, এসমস্ত কুচক্রী মহলের লোকদের চিহ্নিত করে প্রত্যেককে কঠোর শাস্তি প্রদান করা, অথবা দেশ থেকে বের করে দেয়া। কেননা, ৯৮ ভাগ মুসলমান কখনো পবিত্র কুরবানী নিয়ে ষড়যন্ত্র বরদাশত করবে না, ফলে এদের জন্য সরকারকেই  বিপাকে পড়তে হবে। 
পাশাপাশি দেশবাসীর উচিত, এসব ইসলাম বিদ্বেষী বিশেষ করে যবন, মেøচ্ছ হিন্দুদের ষড়যন্ত্র থেকে তাদের অপপ্রচারণায় বিভ্রান্ত না হয়ে সতর্ক হওয়া।

#সুওয়াল : আজকাল দেখা যায়, কোন কোন পরিবারে স্ত্রী স্বামীর নাম ধরে ডাকে এবং স্ত্রী স্বামীকে তুমি বলে সম্বোধন করে। এটা কতটুকু শরীয়তসম্মত?

#সুওয়াল : আজকাল দেখা যায়, কোন কোন পরিবারে স্ত্রী স্বামীর নাম ধরে ডাকে এবং স্ত্রী স্বামীকে তুমি বলে সম্বোধন করে। এটা কতটুকু শরীয়তসম্মত?
#জাওয়াব : পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
الرجال قوامون على النساء.
অর্থঃ- “পুরুষগণকে মহিলাগণের উপর প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।”
আর মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, 
لو كنت امر احدا ان يسجد لا حد لا مرت المرأة ان تسجد لزوحها.
অর্থঃ- “আমি যদি কাউকে আদেশ মুবারক করতাম সিজদা করার জন্য অর্থাৎ কোন মানুষকে মানুষ সিজদা করার জন্য, তাহলে আদেশ মুবারক করতাম স্ত্রীগণকে তাদের স্বামীদেরকে সিজদা করার জন্য।” উপরোক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারা স্বামীর শ্রেষ্ঠত্ব ও ফযীলত বুঝানো হয়েছে। কাজেই প্রত্যেক স্ত্রীর উচিৎ তাদের স্বামীদেরকে সম্মানসূচক শব্দ দ্বারা সম্বোধন করা। অর্থাৎ তুমি বলে সম্বোধন না করে আপনি বলে সম্বোধন করা এবং নাম ধরে না ডাকা। কারণ, সাধারণতঃ স্বামীগণ স্ত্রীদের থেকে বয়সে বড় হয়ে থাকেন। এর চেয়েও বড় কথা হলো- স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক। স্ত্রীর নিকট স্বামীর মর্তবা ও মর্যাদা যে কত বেশী, তা আমরা উপরোল্লেখিত সিজদা সম্পর্কীত পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারা বুঝতে পারি। কারণ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো উল্লেখ করা হয়েছে,
من لم يرحم صغيرنا ولم يوقر كبيرنا فليس منا.
অর্থঃ- “যে ছোটদেরকে স্নেহ করেনা এবং বড়দের সম্মান করেনা, সে আমার উম্মত নয়। স্ত্রীরা যেমন স্বামীদেরকে তা’যীম, তাকরীম করবে, অনুরূপ স্বামীরাও স্ত্রীদেরকে স্নেহ করবে।” কারণ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক মুবারক করেন,
خير كم خير كم خير لنسائهم وانا خير ليسائى. 
অর্থঃ- “তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তি উত্তম, যে তার স্ত্রীর নিকট উত্তম। আর আমি আমার স্ত্রীর নিকট উত্তম।”
আর কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে,
بے ادب محروم گشت از لطف رب-
অর্থঃ- বেয়াদব মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত থেকে বঞ্চিত।”
এবং কিতাবে আরো আছে,
االادب خير من اللهب والفضة.
অর্থঃ- “আদব স্বর্ণ ও রৌপ্যের থেকে উত্তম।”

কাজেই প্রত্যেক স্ত্রীর দায়িত্ব স্বামীর আদব রক্ষা করে চলা এবং স্বামীরও দায়িত্ব তার স্ত্রীর হক্ব যথাযথ আদায় করা।

আল্লাহপাক তিনি যেন আমাদেরকে যথাযথ আদব মেনে চলার তৌফিক দান করেন,,,, আমীন!!!

মোরা "মুসলমান" এটা ভুলে গেলে চলবে না।


               আজ নবীজী শান মুবারক উনার খেলাফ কথা বলা হচ্ছে। কোনো প্রতিবাদ নেই।নাউজুবিল্লাহ! 
               চারিদিকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার শরীয়ত বিরোধী কার্যকলাপ হচ্ছে। কোনো প্রতিবাদ নেই।নাউজুবিল্লাহ! 
               মুসলমান হয়ে,মুসলমানদাবী করে অহরহ হারাম কাজ করছে।কোনো প্রতিবাদ নেই।নাউজুবিল্লাহ! 
               সামনে আসছে মহা পবিত্র কুরবানি।সুবহানাল্লাহ! 
               কিন্তু আশ্চর্য ৯৮% মুসলমান দেশের রাজধানীতে যেখানে শত শত পবিত্র কুরবানী হাঁট বসানোর কথা এবং পরিকল্পনা করার কথা। সেখানে হাঁট কমানোর ঘোষণা আসছে।আশ্চর্য লাগে! বড় আশ্চর্য লাগে! কোনো মুসলমান একটু ' টু ' শব্দ পর্যন্ত করছে না।কোনো গঠনমূলক প্রতিবাদ করা হচ্ছে না।
         

কামিয়াবীর একমাত্র উপায় বাইয়াত হয়ে, সবক্ব নিয়ে নিয়মিত ক্বলবী জিকির করা।

কামিয়াবীর একমাত্র উপায় বাইয়াত হয়ে, সবক্ব নিয়ে নিয়মিত ক্বলবী জিকির করা।
_____________________________________
বর্তমান সময়ে মুসলমানদের চেপে ধরেছে কাফির-মুশরিকরা। কিন্তু মুসলমানরা কাফির-মুশরিকদের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিতে পারছে না, জবাব দিতে পারছে না। এর মূল কারণ হচ্ছে বর্তমানে মুসলমানদের ঈমানী শক্তি বা কুওওয়াত শূন্যের কোঠায় পৌঁছেছে। মুসলমানগণ চাইলেও কাফিরদের বিরুদ্ধে কিছু করতে পারছে না। 

আসলে একজন মুসলমান কখন গায়ের শক্তিতে চলতে পারে না, মুসলমানগণ হচ্ছে ঈমানী শক্তিতে বলীয়ান। অতিতে এ বিষয়টি দেখা গিয়েছে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনাদের মধ্যে। উনারা ঈমানী কুওওয়াতে ছিলেন সুদৃঢ় । এ কারণেই উনারা অতি অল্প সংখ্যক হয়েও অধিক সংখ্যক কাফিরের উপর বিজয় লাভ করেছিলেন। সুবহানাল্লাহ!

কিন্তু বর্তমানে মুসলমানদের অবস্থা হয়েছে ঠিক উল্টো। মুসলমানরা সংখ্যায় অনেক বেশি, কিন্তু এত অধিক সংখ্যক হয়েও তারা এখন স্বল্প সংখ্যক কাফিরদের সাথে পারছে না, নাজেহাল হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!

এর মূল কারণ বর্তমানে মুসলমানদের ঈমানী কুওওয়াত বা ঈমানী শক্তি নেই। আর সেই ঈমানী শক্তি বৃদ্ধির করার একমাত্র উপায় হচ্ছে কোনো হক্কানী ওলীআল্লাহ উনার নিকট বাইয়াত হয়ে ক্বলবী জিকির করা, এতেই ঈমানী কুওওয়াত অর্জন করা সম্ভব। আর ঈমানী কুওওয়াত অর্জন হলেই কেবল কাফিরদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেয়া সম্ভব, অন্যথায় নয়।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...