Sunday, August 29, 2021

সত্যিকার আলিম বা ওলীআল্লাহ উনাদের পরিচয়

 সত্যিকার আলিম বা ওলীআল্লাহ উনাদের পরিচয়


==================================


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “নিশ্চয়ই বান্দাদের মধ্য থেকে কেবল আলিমগণই মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করেন।”


পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় উল্লেখ রয়েছে, যার ভিতরে যতোবেশি আল্লাহভীতি থাকবে তিনি ততবড় আলিম।” (পবিত্র সূরা ফাতির শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৮)


অন্যত্র ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “সাবধান! জেনে রাখ, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার যারা ওলী উনাদের কোনোরূপ ভয় ও চিন্তা নেই। উনাদের পরিচয় হচ্ছে, উনারা পরিপূর্ণ ঈমানদার এবং পরিপূর্ণ তাক্বওয়া অবলম্বনকারী।” (পবিত্র সূরা ইউনূস শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬২)

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে, “আলিম হচ্ছেন ওই ব্যক্তি যিনি ইলম অনুযায়ী আমল করেন।” (মিশকাত শরীফ)

প্রতিভাত হলো, যার ঈমান-আক্বীদা পরিশুদ্ধ, যার ভিতরে আল্লাহভীতি রয়েছে, যিনি তাক্বওয়া অবলম্বন করেন, যিনি পবিত্র সুন্নত উনার পরিপূর্ণ অনুসরণ করেন, পবিত্র ইলম অনুযায়ী আমল করেন অর্থাৎ যিনি পবিত্র শরীয়ত তথা পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদেরকে মেনে পরিপূর্ণরূপে চলেন তিনি হচ্ছেন সত্যিকার আলিম বা ওলীআল্লাহ। উনারই আদেশ-নিষেধ মানতে হবে এবং উনারই আনুগত্য বা অনুসরণ করতে হবে। যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক উনাকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এবং উলিল-আমর উনাদেরকে অনুসরণ করো।” (পবিত্র সূরা মায়িদাহ শরীফ)


আলোচ্য পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে উলিল-আমর বলতে সত্যিকার আলিম বা ওলীআল্লাহ উনাদেরকেই বুঝানো হয়েছে।

আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “উনার কথাই শ্রবণ করো, মানো এবং উনাকেই অনুসরণ করো, যদিও তিনি হাবশী কৃতদাস হোন না কেন।”


কাজেই উপরে আলিম বা ওলীআল্লাহ উনার পরিচয় সম্পর্কে যে বর্ণনা উল্লেখ করা হলো এমন আলিম বা ওলীআল্লাহ উনাকে চিনে উনাকে অনুসরণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, যিনি সত্যিকার আলিম বা ওলীআল্লাহ হবেন তিনি কখনোই হারাম, শরীয়ত ও সুন্নতবিরোধী কোনো কাজ করতে পারেন না।

কাজেই যদি দেখা যায়, আলিম বা ওলীআল্লাহ পরিচয়ধারী কোনো ব্যক্তি বেগানা মহিলার সাথে দেখা করছে, ছবি তুলছে, পেপার পত্রিকায় উনার চবি আসছে, টিভিতে প্রোগ্রাম করছে, সমর্থন দিচ্ছে তাহলে বুঝতে হবে সে প্রকৃত আলিম বা ওলীআল্লাহ নয়। কাজেই ফাছিককে অনুসরণ করা জায়িয নেই।


#12shareef

#Saiyidul_Aayaad_Shareef

#সাইয়্যিদুল_আইয়াদ_শরীফ

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা কায়িনাতবাসীর জন্য নিরাপত্তা দানকারী

 মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা কায়িনাতবাসীর জন্য নিরাপত্তা দানকারী


==============================


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- 

اهل بيتى امان لاهل الارض

অর্থ: আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা যমীনবাসীর জন্য নিরাপত্তা দানকারী।


       পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার অপর এক বর্ণনায় বর্ণিত হয়েছে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

اهل بيتى امان لامتى

অর্থ: আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা আমার উম্মতের জন্য নিরাপত্তা দানকারী।


       স্মরণীয় যে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যতদিন যমীনে সরাসরি অবস্থান মুবারক করেন ততদিন যমীনবাসী সরাসরি হিদায়েত, রহমত, বরকত ও নিয়ামত লাভে ধন্য হন। উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশের পর উম্মত তথা যমীনবাসী যাতে সেই হিদায়েত, রহমত, বরকত, নিয়ামত ও নিরাপত্তা লাভে ধণ্য হতে পারে সেজন্য তিনি উনার ক্বায়িম-মাক্বাম বা স্থলাভিষিক্ত হিসেবে উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে রেখে যান। যেমন এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- 


إني تركتُ فيكم ما إنْ أخذتُم به لن تضلُّوا: كتاب الله وعِترتي أهْلَ بَيتي                         


অর্থ: আমি তোমাদের মাঝে দু’খানি নিয়ামত মুবারক রেখে যাচ্ছি উক্ত নিয়ামত মুবারক দু’খানি দৃঢ়ভাবে আকড়ে ধরে থাকলে তথা অনুসরণ করে চললে কখনোই তোমরা গোমরাহ বা পথভ্রষ্ট হবে না। (এক) মহান আল্লাহ পাক উনার কিতাব পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ, (দুই) আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম। (মিশকাত শরীফ)


       উল্লেখ্য, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের যমীনে আগমনের ধারাবাহিকতায় বর্তমানে তাশরীফ মুবারক এনেছেন পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার মহাসম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহ!


       আজ সারা দুনিয়া বা দেশব্যাপী যে ব্যক্তি বা যে উম্মত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আহলু বাইতে রসূল রাজারবাগ শরীফ উনার মহাসম্মানিত হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নিকট বাইয়াত হয়েছেন তিনিই কেবল মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণে তথা মুবারক সুন্নতী তরতীবে বাইয়াত লাভে ধন্য হয়েছেন এবং সমস্ত সুন্নত মুবারক সর্ম্পকে জানা ও অনুসরণ করার সৌভগ্য লাভ করছেন আর বিপরীতপক্ষে কাফির-মুশরিক, ফাসিক-ফুজ্জারদের অনুসরণ করা থেকে তথা করোনা ভাইরাসকে ছোঁয়াচে বিশ্বাস করা, করোনা টিকা নেয়া, মাস্ক পরা, শাট, কোট, প্যান্ট, টাই, ছবি, টিভি, খেলাধুলা, গান-বাজনা ইত্যাদি শিরক, কুফর, হারাম, বিদয়াত কাজ হতে বিরত থাকছেন। সুবহানাল্লাহ!

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...