Monday, January 17, 2022

প্রসঙ্গ–গাযওয়ায়ে (হিন্দ)

 প্রসঙ্গ–গাযওয়ায়ে (হিন্দ)



★হুজুর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ মোবারক করেনঃ-


أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ حَكِيمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ

 عَدِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنْ سَيَّارٍ، ح قَالَ: وَأَنْبَأَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ سَيَّارٍ، عَنْ جَبْرِ بْنِ عَبِيدَةَ، وَقَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ: عَنْ جُبَيْرٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: «وَعَدَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ غَزْوَةَ الْهِنْدِ، فَإِنْ أَدْرَكْتُهَا أُنْفِقْ فِيهَا نَفْسِي وَمَالِي، فَإِنْ أُقْتَلْ كُنْتُ مِنْ أَفْضَلِ الشُّهَدَاءِ، وَإِنْ أَرْجِعْ فَأَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ الْمُحَرَّرُ»


*আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:


রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে হিন্দুস্থানের জিহাদের (ভারত অভিযানের) ওয়াদা দিয়েছিলেন। যদি আমি তা (ঐ যুদ্ধের সুযোগ) পাই, তা হলে আমি তাতে আমার জান-মাল ব্যয় করব। আর যদি আমি তাতে নিহত হই, তাহলে আমি শহীদের মধ্যে উত্তম সাব্যস্ত হব। আর যদি আমি ফিরে আসি, তা হলে আমি হবো আযাদ বা জাহান্নাম হতে মুক্ত আবূ হুরায়রা।

  

সুনানে আন-নাসায়ী,


👉গাযওয়ায়ে হিন্দঃ-


★হযরত শাহ নেয়ামত উল্লাহ রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার লেখা ভবিষ্যৎ বানীতে 

৪৪নং লাইনে বলা হয়েছে একজন ব্যক্তির কথা কে সেই মহান ব্যক্তি যার মাধ্যমে গাযওয়াতুল হিন্দ সফলতা লাভ করবে..


★ ৪৪.সাহেবে কিরান “হাবীবুল্লাহ” হাতে নিয়ে শমসের 


খোদায়ী মদদে ঝাপিয়ে পড়িবে ময়দানে যুদ্ধে 


ব্যাখ্যাঃ এখানে মুসলিমদের সেনাপতির কথা বলা হয়েছে।যিনি হবেন সাহেবে কিরান বা প্রজন্মের সৌভাগ্যবান। সেই মহান সেনাপতির নাম বা উপাধি হবে “হাবীবুল্লাহ”। 


👉এখানে অবশ্যই প্রশ্ন জাগে কে এই সাহেবে কিরান..

এই জন্মের সৌভাগ্যবাণ তিনি কেঃ-?


*চলুন যেনে নেওয়া যাক..

 তিনি হলেন মুজাদ্দিদে আযম, আউলাদে রসুল,সাইয়্যিদুনা হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম! তিনিই হবেন সেই মহান ব্যক্তি যার মাধ্যমে গাযওয়াতুল হিন্দ সফলতা লাভ করবেন..


👉 হাবীবুল্লাহ উপাধি অধিকারী উনার শানে একটি হাদীস তুলে ধরা,হলঃ-


★মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, 

عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُوْدٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَضَّرَ اللهُ امْرَءًا سَـمِعَ مِنَّا حَدِيْثًا فَبَلَّغَهٗ كَمَا سَـمِعَهٗ فَرُبَّ مُبَلَّغٍ اَوْعـٰى مِنْ سَامِعٍ

অর্থ: “ফক্বীহুল উম্মত হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাস‘ঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ওই ব্যক্তির সম্মানিত চেহারা মুবারক সম্মুজ্জ্বল করুন, (উনাকে সম্মানিত রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক, মা’রিফাত-মুহব্বত মুবারক দান করুন,) যিনি আমার থেকে যেরূপ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ শুনবেন ঠিক হুবহু সেরূপ বর্ণনা করবেন। কেননা (পরবর্তীতে) যেই সকল সুমহান ব্যক্তিত্ব মুবারক উনাদের কাছে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ পৌঁছানো হবে, উনারা যাঁদের থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ শুনবেন, উনাদের থেকে অধিক বেশি বুঝবেন, উপলব্ধি করবেন, অনেক বেশি সম্মানিত ইলিম মুবারক উনার অধিকারী হবেন।” সুবহানাল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ, ছহীহ ইবনে হিব্বান, মুসনাদে বাযযার, ত্ববারনী শরীফ)

এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার পরিপূর্ণ মিছদাক্ব হচ্ছেন আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। সুবহানাল্লাহ! উনাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সমস্ত প্রকার সম্মানিত ইলিম মুবারক হাদিয়া মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি হচ্ছেন সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সমস্ত প্রকার সম্মানিত ইলিম মুবারক উনার মালিক। সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!!


★হুজুর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি ইরশাদ মোবারক করেনঃ-


حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْمَهْرِيُّ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ شَرَاحِيلَ بْنِ يَزِيدَ الْمَعَافِرِيِّ، عَنْ أَبِي عَلْقَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، فِيمَا أَعْلَمُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ يَبْعَثُ لِهَذِهِ الأُمَّةِ عَلَى رَأْسِ كُلِّ مِائَةِ سَنَةٍ مَنْ يُجَدِّدُ لَهَا دِينَهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ شُرَيْحٍ الإِسْكَنْدَرَانِيُّ لَمْ يَجُزْ بِهِ شَرَاحِيلَ ‏.‏


*আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:


রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ এই উম্মাতের জন্য প্রতি একশত বছরের শিরোভাগে এমন লোকের আবির্ভাব ঘটাবেন, যিনি এই উম্মাতের দীনকে তার জন্য সঞ্জীবিত করবেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘আবদুর রহমান ইবনু শুরাইহ আল-ইসকান্দারানীও এ হাদীস বর্ণনা করেছেন, কিন্তু তিনি শারাহীল-এর অতিরিক্ত বর্ণনা করেননি।

(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪২৯১)

হাদিসের মান–সহীহ হাদিস!


★এ হাদিস থেকে বোঝা গেল তিনি হবেন বর্তমান ১৫শতকের মুজাদ্দিদ যা উনার হাতেই গাযওয়াতুল হিন্দ সফলতা লাভ করবে!


★শাহ নেয়ামত উল্লাহ রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি ৪৪নং লাইনে শাহেবে কিরান উনার কথা উল্লেখ করেছে..

কে এই সাহেবে কিরান 

কার কথা শাহ নেয়ামত উল্লাহ রহমাতুল্লাহি আলাইহি আজ থেকেপ্রায় ৮৫০বছর আগে বলে গেছে


#চলুন একটু চিন্তা ফিকির করে দেখা যাকঃ-


★"মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মোবারক করেনঃ- اتبع سبيل من اناب الي হে ঈমানদারগণ তোমরা ঐ ব্যাক্তির পথ অনুসরণ কর যে আমার দিকে পরিপূর্ণ রুজু হয়েছেন৷সুবহানাল্লাহ!(সুরা লুকমানঃ১৫)


*প্রিয় বাংলার মুসলমান ভাই ও বোনেরা আসুন আমরা উক্ত আয়াত শরীফ নিয়ে একটু চিন্তা ফিকির করি৷


★আল্লাহ পাক উক্ত আয়াত শরীফে ঘোষনা মোবারক দিয়েছেন,তোমরা ঐ ব্যাক্তির পথ ধর, যে আমার দিকে পরিপূর্ণ রুজু রয়েছেন৷

অর্থাৎ,যিনি সর্বপ্রকার হারাম কাজ বর্জন করেছেন এবং সর্বদা হালালের মধ্যে নিমজ্জিত রয়েছেন তিনিই হলেন ঐ ব্যাক্তি৷


★উদাহরনস্বরুপ বলা যেতে পারে:

১.যিনি সর্বদা ৫ ওয়াক্ত নামায কখনো কাজা করেননি ও তাকবির উলা ছাড়েননি

২.যিনি সর্বদা মুত্তাকির উচ্চস্তরের অধিকারী ৷

৩.যিনি কখনো তাহাজ্জুত কাজা করেননি৷

৪.যিনি কখনো ইশরাক নামায কাজা করেননি

৫.যিনি কখনো চাশতের নামায কাজা করেননি৷

৬.যিনি কখনো আওয়াবিন নামায কাজা করেননি৷

৭. যিনি কখনো মাকরুহ কাজ করেননি৷

৮.যিনি কখনো বেপর্দা হননি৷

৯. যিনি সর্বদা হালাল খাবার গ্রহন করেন৷

১০.যিনি সর্বদা হক্কুল ইবাদতের পাশাপাশি হক্কুলল্লার মধ্যে দায়িম কায়িম থাকেন৷

১১.যিনি কখনো ছবি তোলেন না৷

১২.যিনি নিজের স্বার্থে কাউকে ভালোবাসেন না৷

১৩.যিনি কখনো নিজের স্বার্থে কাউকে ঘৃণা করেন না৷

১৪.যিনি সর্বদা নির্যাতিত মুসলমানদের জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার দরবার শরীফে কান্না কাটি করেন৷।যা আল্লাহ পাক ও রসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাদের মনোনিত আখখাছুল খাছ হবেন!!


★উদাহরণ স্বরূপ ধারণা করা যেতে পারে ইনি হলেন সেই মহান ব্যক্তি.. অর্থাৎ শাহেবে কিরান 

হাবিবুল্লাহ ল্বকব এর অধিকারী


*প্রশ্নজাগে এমন ব্যাক্তি কি পৃথিবীতে আছেন?যিনি এই ফেতনা ফাসাদের জামানায় সর্বদা হারাম কাজ বর্জন করে চলেন এবং হালালের মধ্যে দায়িম কায়িম থাকেন?


আমি বলবো অবশ্যই আছে আর সে জন্যই শাহ নেয়ামত উল্লাহ রহমাতুল্লাহি আলাইহি আজ থেকে প্রায় ৮৫০ বছর আগে বলে গেছে সেই মহান ব্যক্তির কথা.. 

তাহলে উনি #কে


👉আমরা একটু চিন্তা-ফিকির করে চোখ গুরালেই দেখতে পাবো,যা উনার ইলম,আমল, তাজদীদ এবং সকল কার্যক্রম সমুহ বলে দিবে,যিনি বর্তমান জামানারঃ---


হাবিবুল্লাহ ল্বকব উনার অধিকারী 

১৫শতকের মুজাদ্দিদ

 হাদিস শরীফ অনুযায়ী ১০ম খলিফা 

যার নেত্রিত্বে গাযওয়াতুল হিন্দ সফলতা লাভ করবে 

তিনি হলেন,, 

মুজাদ্দিদে আ'যম ছাহিবে সুলত্বানিন নাছির,

মুহইউস সুন্নাহ, আওলাদে রাসুল,খলিফাতুল্লাহ,খলিফাতু রসুলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, 

সাইয়্যিদুনা ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম 

আলহাসানী ওয়াল হুসাইনী ওয়াল কুরাইশী ওয়াল হানাফী ওয়াল ক্বাদিরি ওয়াল চীশতী ওয়ান নকশবন্দী ওয়াল মুজাদ্দিদী ওয়াল মুহম্মদী 

মুর্শিদ কিবলা 'রাজারবাগ শরীফ' ঢাকা!!


★ বিঃদ্রঃ -- সম্মানিত রাজারবাগ মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সম্পর্কে সঠিক না জেনে,না বুঝে এবং উনার ছোহবতে না গিয়ে,চিন্তা- ফিকির ব্যতীত উনার শান-মান বোঝা পক্ষে সম্ভব না!!

হাত তালি ও শিস দেয়া ইসলামী শরীয়তে সম্পূর্ণরূপে হারাম ও কুফরী

 হাত তালি ও শিস দেয়া ইসলামী শরীয়তে সম্পূর্ণরূপে হারাম ও কুফরী


==========================================

হাত তালি ও শিস দেয়া মূলত কাফির মুশরিকদের বদ স্বভাব ও অপকর্মের অন্তর্ভুক্ত। এ প্রসঙ্গে কালামুল্লাহ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে-


وما كان صلاتـهم عند البيت الا مكاء وتصدية فذوقوا العذاب بما كنتم تكفرون.


অর্থ: আর কা’বা শরীফ-এর নিকট তাদের উপাসনা বলতে শিস দেয়া আর তালি বাজানো ছাড়া অন্য কোন কিছুই ছিল না। অতএব, তোমরা তোমাদের কুফরীর কারণে আযাবের স্বাদ গ্রহণ করো। (সূরা আনফাল: আয়াত শরীফ ৩৫)


এ আয়াত শরীফ-এর মধ্যে শিস দেয়া ও করতালি দেয়া কাফির-মুশরিকদের উপাসনা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। নাঊযুবিল্লাহ!


এ সম্পর্কে হযরত সাঈদ ইবনে যুবাইর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেছেন, মুসলমানদেরকে মসজিদে হারাম অর্থাৎ কা’বা শরীফ-এ নামায আদায় এবং অন্যান্য দ্বীনী কাজ থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে কাফির-মুশরিকরা করতালি বা হাত তালি দিতো। এ অপকর্ম তারা হরহামেশাই করতো। তারা যে কত নিকৃষ্ট সে বিষয়টা প্রকাশার্থে আলোচ্য আয়াত শরীফ-এ শিস ও করতালিকে তাদের উপাসনা বলা হয়েছে।


হযরত সাঈদ ইবনে যুবাইর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি আরো বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কা’বা শরীফ তাওয়াফ করার সময় বিধর্মী কুরাইশরা বিদ্রুপবশত উনার সামনে শিস ও করতালি দিতো। নাঊযুবিল্লাহ! এই প্রেক্ষাপটে আলোচ্য আয়াত শরীফ নাযিল হয়।


অতএব, হাততালি বা করতালি এবং শিস এ অপকর্ম দু’টি বিধর্মী, কাফির-মুশরিকদের বদ স্বভাব ও উপাসনার শামিল; যা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত এবং এ কুফরীর পরিণাম হলো জাহান্নামের কঠিন শাস্তি। নাউযুবিল্লাহ ‼️

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...