সন্তানদের কুরআন শরীফ ও আরবী ভাষা শিক্ষা দেয়া গুরুত্বপূর্ণ
সবাই বলে- আপনার সন্তানদের বেশি বেশি বই পড়ান, যত পড়বে তত জানবে, তত শিখবে। ভালো কথা। কিন্তু এটা কি শুধুই গল্প-উপন্যাস আর আউট নলেজের নামে এমন কিছু শিখানো, যেখানে ইসলাম নেই, মুসলমানিত্ব নেই? যদি তা নাই হয়- তাহলে সন্তানকে সবই শিখাচ্ছেন কিন্তু কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ ও ইসলামী ইতিহাস শিখাচ্ছেন না কেন? আপনার সন্তানকে সবার আগে ঘুম থেকে তুলে স্কুলে পাঠাচ্ছেন। বই ভর্তি ব্যাগ তার কাঁধে দিচ্ছেন। আবার তাকে এই-সেই বই কিনে দিচ্ছেন। এতকিছু করা হচ্ছে- অথচ এখন পর্যন্ত ইসলামের প্রাথমিক শিক্ষা- পবিত্র কুরআন শরীফখানা পড়ার জন্য ‘আরবী ভাষা’ শিখাতে পারলেন না। একজন মুসলমান হিসেবে- এরচেয়ে বড় আফসুস আর কি হতে পারে?
অথচ হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- তোমরা ৩ কারণে আরবী ভাষা উনাকে মুহব্বত করো। ১) সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ভাষা আরবী, ২) পবিত্র কুরআন শরীফ উনার ভাষা আরবী, ৩) জান্নাতের ভাষা আরবী। সুবহানাল্লাহ! এক কথায় আরবী ভাষা হলো ইসলাম ও মুসলমানিত্বের শেয়ার বা নিদর্শন।
একজন মুসলমান-ঈমানদার হিসেবে আরবী ভাষা শিক্ষা করার গুরুত্ব-তাৎপর্য অপরিসীম। আর পবিত্র কুরআন শরীফ শিক্ষা করাতো আরো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অতএব, আমাদের সকলেরই দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- নিজে পবিত্র কুরআন শরীফ শিক্ষা করা ও পরিবারের সকলের পবিত্র কুরআন শরীফ শিক্ষা ও আরবী ভাষা শিক্ষা দেয়া।

No comments:
Post a Comment