ক্বওল শরীফ: সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র কুরবানী একটি ওয়াজিব ইবাদত। আর পবিত্র কুরবানীর পশু মহান আল্লাহ পাক উনার শিয়া’র বা নিদর্শন মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! তাই ৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- মুসলমানদের ওয়াজিব ইবাদত পবিত্র কুরবানী করার সুবিধার্থে সারাদেশে কমপক্ষে ১০ দিন পূর্ব থেকেই পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট বসানোর ঘোষণা দেয়া। আর রাজধানীর দুই সিটিতে কমপক্ষে ২০০টি হাটসহ সারাদেশের প্রত্যেক গ্রামে ও মহল্লায় পশুর হাটের ব্যবস্থা করা। অর্থাৎ পর্যাপ্ত হাটের ব্যবস্থা করা।
মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র কুরবানী বিরোধী সমস্ত সিদ্ধান্ত- যেমন নির্ধারিত স্থানে পশু জবাই করা, ১৮ বছরের নিচে জবাই করতে না পারা ইত্যাদি হঠকারী সিদ্ধান্তগুলো অবিলম্বে প্রত্যাহার করে নেয়ার ঘোষণা দিতে হবে। কেননা ৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্র দ্বীন ইসলাম উনার দেশের মুসলমানরা পবিত্র কুরবানী বিরোধী কোনো প্রকার ষড়যন্ত্র কখনোই বরদাশত করেনি এবং করবেও না।
মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন- দুঃখজনক হলেও সত্য যে, সরকারের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে একটি মহল রয়েছে যারা হিন্দুভাবাপন্ন ও হিন্দু তোষণকারী। তাদের প্রশ্রয় আস্কারা ও উস্কানীতে হিন্দুরা মাত্র ১.৫% হয়েও এদেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানদের উপর আধিপত্য বিরাজ করতে চাইছে। সরকারি চাকরিতে ও সংস্কৃতিতে তাদের আগ্রাসন চালাচ্ছে। এরাই মূলত পবিত্র কুরবানী উনার বিরুদ্ধে একেক সময় একেক ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করে। এতে করে যেকোনো সময় মুসলমান জনসাধারণের মধ্যে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।
মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র কুরবানী হলো ‘শিয়ারে ইসলাম’। এদেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানরা উনাদের জীবনের চাইতে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে বেশি ভালোবাসেন, প্রাধান্য দেন। কাজেই পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার উপর আঘাত, পবিত্র কুরবানী বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এদেশের ৯৮ ভাগ মুসলমান শহীদ হয়েও রুখে দিবেই দিবে। ইনশাআল্লাহ!
মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন- অতএব, সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- মুসলমানদের ওয়াজিব ইবাদত পবিত্র কুরবানী করার সুবিধার্থে সারাদেশে কমপক্ষে ১০ দিন পূর্ব থেকেই¬ পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট বসানোর ঘোষণা দেয়া। আর রাজধানীর দুই সিটিতে কমপক্ষে ২০০টি হাটসহ সারাদেশের প্রত্যেক গ্রামে ও মহল্লায় পশুর হাটের ব্যবস্থা করা এবং সম্মানিত কুরবানী বিরোধী সর্বপ্রকার পরিকল্পনা বাতিল করা। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবরক করেন, “তোমরা পরস্পর পরস্পরকে নেকী ও পরহেযগারীর মধ্যে সাহায্য-সহযোগিতা করো। পাপ ও নাফরমানীর মধ্যে সাহায্য-সহযোগিতা করো না।”

No comments:
Post a Comment