____________________________________
এ দেশের মুসলমানগণ গৌড় গোবিন্দের ইতিহাসের আর কখনো পুনরাবৃত্তি হবে এমনটি ধারণাও করেননি। কিন্তু আজ আবারো সেই গৌর গোবিন্দের ভাবশিষ্যদের আস্ফালন দেখা যাচ্ছে। কুরবানী বিরোধীদের কূটকৌশল ও অপপ্রচারের কারনে সরকারী আমলারাও নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী করতে ও পশুর হাটের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।
সরকারী আমলাদের কুরবানীবিরোধী পদক্ষেপ:
-নির্দিষ্টস্থান ব্যতীত কুরবানী নিষিদ্ধ করেছে।
-কুরবানী পশুর হাটের সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছে।
-যানজটের মিথ্যা অজুহাতে কুরবানীর হাট ছোট করে দিয়েছে।
-কুরবানীর গরু-ছাগল বেচাকেনা নির্দিষ্ট কয়েক দিনে সীমাবদ্ধ করে দিয়েছে।
-কুরবানীর হাটে গরু-ছাগলের কথিত বিষাক্ত গরু-ছাগলের রক্ত পরীক্ষার নামে হয়রানির চেষ্টা করছে।
সরকারের এ সকল অযৌক্তিক ও ভুল সিদ্ধান্তে দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানগণ যে কত বেশি পেরেশান, হয়রানি ও ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হবেন, তা বলার অপেক্ষাই রাখে না।
প্রতিবছর ২ কোটিরও বেশি কুরবানী হয়ে থাকে দেশে। এত বিপুল সংখ্যক গরু-ছাগল মাত্র নির্দিষ্ট কয়েকটি হাটের মাধ্যমে বেচাকেনা করতে গেলে কত বিশৃঙ্খলা হবে সেটা কি সরকার ভেবে দেখেছে?
তাছাড়া নির্দিষ্টস্থানে কুরবানী করতে গেলেও যে কি হয়রানি হতে হবে কুরবানীদাতাদের- তার বাস্তবতা উপলব্ধি করার জন্য একটু সুস্থ মাথায় সরকারী আমলাদের সুস্থ হয়ে চিন্তা করা উচিত।
সরকারের দায়িত্ব:
সরকারের উচিত নির্বিঘ্নে সুশৃঙ্খলভাবে কুরবানীর সমস্ত কাজ যেন করা সহজ ও সম্ভব হয় তার সকল ব্যবস্থা করা। পবিত্র কুরবানীর সুবিধার জন্য সরকারের নিকট দাবি-
* কমপক্ষে ১ মাস আগ থেকেই কুরবানীর হাট বসানোর সু-ব্যবস্থা করতে হবে।
* প্রতিটি মহল্লায় কমপক্ষে একটি করে কুরবানীর হাট বসার ব্যবস্থা করতে হবে।
* প্রত্যেকে যেনো যার যার সুবিধাজনক স্থানে জবাই করতে পারে তার সু-ব্যবস্থা করা। নির্দিষ্টস্থানে কুরবানী করার বাধ্যবাধকতা তুলে নেয়া।
* দেশে যাতে আরো গরু-ছাগলের খামার গড়ে উঠে তার সু-ব্যবস্থা করতে হবে।
* যাতে কেউ নতুন করে কুরবানী বিরোধী কোনো ধরনের অপপ্রচার না চালাতে পারে তার জন্য বিশেষ কমিটি গঠন করতে হবে।
দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমান তথা মূল জনগোষ্ঠীর অন্যতম ইবাদত কুরবানী সংশ্লিষ্ট কাজে কোনো ধরনের হয়রানি ও বিড়ম্বনা যাতে না হয়, সে ব্যবস্থা করাই সরকারের প্রধান ও ফরয কাজ।


No comments:
Post a Comment