যুগের সাথে তাল মিলানো, নাকি শয়তানের সাথে তাল মিলানো?
🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘
মহান আল্লাহ পাক তিনি মু’মিন মুসলমানদেরকে সতর্ক করে দিয়ে ইরশাদ মুবারক করেন, “অবশ্যই মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদী ও মুশরিকদেরকে।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২)
প্রাচীনকাল তথা অন্ধকার যুগের অসভ্যতা থেকে আমরা ক্রমেই সভ্য হচ্ছি, এটা অধুনাবাদীদের ভাষ্য। পশ্চিমা বিশ্বের অনুকরণ আমাদেরকে আধুনিক আর সভ্য করছে- এটাও সভ্য মানুষের ভাষ্য, “যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হয়”। এই কথা “যুগের” স্থলে “শয়তানের” বললে মন্দ কি? কে কত সভ্য আর সম্মানিত তা নির্ণয় করা হয় কে কত পশ্চিমা অর্থাৎ ইহুদী-মুশরিকও নাছারাদের অনুসারী। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ!
কিন্তু সত্যিকার অর্থে ইত্যকার ভাষ্যগুলো তথাকথিত গুণীজনের ভাষ্য। এ কথাগুলো প্রকৃত জ্ঞানী-গুণীজনের ভাষ্য নয়, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনারও ভাষ্য নয়।
এসবের পিছনে তাকালে শয়তানের ছলনার হাসি ছাড়া আর কিছুই চোখে পড়ে না। অর্থাৎ যারা ইহুদী মুশরিক নাছারা তারা শয়তান দ্বারা পরিচালিত। তাদের ঝলমলে সাজ-পোশাক, গান-বাজনা, আনন্দ-উৎসব, বেহায়া-বেলেল্লাপনা, শৌখিন জীবন এসবের ঢাক-ঢোল আজ চারদিকে। সভ্যতার অন্তরালে আজ তারা অসভ্যতার শীর্ষে পৌঁছেছে। কিন্তু শয়তানের কারসাজিতে, ধোকায়, প্ররোচনায় যে তারা এসব কাজ করছে সেটা মুসলমানরা এখনো উপলব্ধি করতে পারছে না।
তাই মুসলমানদের বুঝতে হবে, ইহুদী মুশরিক নাছারা, মজূসী, মুশরিকরা মুসলমানদের শত্রু। তাদের তর্জ তরীক্বা, নিয়ম-কানুন, আচার-আচরণ কোনো কিছুকেই অনুসরণ করা যাবে না। মুসলমানগণ তাদের নিজেদের ঈমানকে হিফাযতের লক্ষ্যে সর্বাস্থায় তাদের থেকে বেঁচে থাকতে হবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানার্থে আমাদেরকে তাদের ফিতনা থেকে বেঁচে থাকার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন।

No comments:
Post a Comment