Sunday, June 21, 2020

কোর্টের আদেশকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ভাঙ্গা হচ্ছে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

মাঝে মাঝে কিছু নিউজ দেখে হতবাক হয়ে যাই। ভেবে কুল পাই না। এটাই কি সেই যুগ, যে যুগে কাকের গোশত কাকে খাচ্ছে?

আপনি কি কোনদিন শুনেছেন, কোন ধর্মীয় জনগোষ্ঠী তাদের নিজ ধর্মের উপসনালয় ভেঙে ফেলে? শুনেছেন? শুনেননি।
আমি এতদিন শুনে আসছি, কাকের গোশত কাক খায় না। 

কিন্তু ভাই, মুসলমানদের অবস্থা এতটাই শোচনীয়; এরা নিজেরাই মসজিদ ভাঙার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। আমাদের বাপ-দাদারা মসজিদ তৈরির জন্য জমি দান করে গেছেন। কেউ কেউ মসজিদ করে দিয়ে গেছেন। আর এই যামানার কুলাঙ্গারের দল, মসজিদ ভাঙতে উঠেপড়ে লেগেছে।

ঢাকা আগারগাঁওয়ের অর্ধশত বছরের পুরনো মসজিদুল আবেদীন জামে মসজিদ। হাজার হাজার ভাসমান পরিবারের তিনপুরুষ অবধি নামাজ আদায় করার একমাত্র মসজিদ। বলা চলে, সেই মসজিদটিকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছিল জনবসতি। মসজিদের জমিটি অনুর্ধ্ব ষাট বছর পুর্বে আগারগাঁও এলাকার মরহুম জয়নুল আবেদীন সাহেব ওয়াকফ করে যান। বর্তমানে উনার সন্তানগণই মসজিদটির মুতওয়াল্লী হিসেবে সার্বিক তত্ত্বাবধান করে আসছেন। কিছুদিন পুর্বে সড়ক প্রশস্তকরণের নামে মসজিদটির ভূমি অধিগ্রহণ করা নিয়ে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাবৃন্দের সাথে মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল গণির গোপন বৈঠক হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে মসজিদের দুই-তৃতীয়াংশ জমি সরকার কর্তৃক অধিগ্রহিত হবে এবং অধিগ্রহনের বিনিময়ে মোটা অংকের টাকা মসজিদ কমিটিকে দেওয়া হবে। সেই টাকার লোভেই আব্দুল গণি মসজিদটি ভাঙার জন্য উঠে পড়ে লাগে। অথচ উচ্চ আদালত চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে মসজিদের জমিটির জন্য স্থিতিবস্থা রুল জারী করেছে। কিন্তু কোর্টের আদেশকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে মসজিদ ভাঙার জন্য বুলডোজার এনে রেখেছে শকুনের দল। (https://bit.ly/3hP0zcX)

একটাই দাবি, হাইকোর্টের আদেশ অমান্যকারী মসজিদ ভাঙা কমিটিকে দ্রুত আইনের আইনের আওতায় আনা হোক। ✊

No comments:

Post a Comment

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...