Tuesday, September 15, 2020

‘হক্ব কথা বলা’- এটা পবিত্র ঈমানের অন্যতম আলামত

 ‘হক্ব কথা বলা’- এটা পবিত্র ঈমানের অন্যতম আলামত



পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- যে ব্যক্তি হক্ব কথা বলা থেকে বিরত থাকে অর্থাৎ নিশ্চুপ থাকে সে হলো বোবা শয়তান।’ নাউযুবিল্লাহ! অতএব, একজন মুসলমান যে নিজেকে ঈমানদার মু’মিন দাবি করে সে কি করে বোবা শয়তান হতে পারে। কস্মিনকালেও একজন প্রকৃত মুসলমান বোবা শয়তান হতে পারে না। অথচ এরপরও বর্তমানে মুসলমান নামধারীগণ শাসকের ভয়ে, ক্ষমতার ভয়ে, পেশীশক্তির ভয়ে, কাফির মুশরিকদের ভয়ে হক্ব কথা, সত্য কথা, ইসলামসম্মত কথা, এককথায় মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আদেশ নির্দেশের কথা দীপ্তকণ্ঠে বলে দিতে অত্যন্ত ভীত ও লজ্জিত থাকে। নাউযুবিল্লাহ! 

এটা কখনোই উচিত নয়। কারণ, অন্যায় কাজের প্রতিবাদ প্রতিরোধ করতে যদি হাতে না পারা যায়, তবে যেন জবান দিয়েই করা হয়-এটাই দ্বীন ইসলাম উনার শিক্ষা। একারণে অন্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “হযরত আবু সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন- “তোমরা সাবধান হয়ে যাও! মানুষের ভয় যেন কাউকে হক্ব কথা বলা থেকে বিরত রাখতে না পারে, যখন সে জানে যে নিশ্চিত এটাই হক্ব।” অতএব, প্রত্যেক মু’মিন মুসলমান উনাদের উচিত কাফির যালিম ফাসিক ফুজ্জারদের সম্মুখে হক্ব বিষয় বলে দেয়ার ক্ষেত্রে কোনোরূপ দুনিয়াবী ভয়ভীতি বা অপশক্তিকে পরোয়া না করা। তাহলেই মহান আল্লাহ পাক তিনি মুসলমান ঈমানদার উনাদেরকে গায়েবী মদদ দ্বারা সাহায্য করবেন। সুবহানাল্লাহ!

No comments:

Post a Comment

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...