পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব-এর মর্যাদা শবে বরাত ও শবে
ক্বদরের চেয়েও অনেক বেশি।
হাম্বলী মাযহাবের ইমাম, হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ফতওয়া দেন যে, পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব-এর মর্যাদা পবিত্র শবে বরাত ও শবে কদরের চেয়েও অনেক বেশি।” সুবহানাল্লাহ!
তিনি যখন এ ফতওয়া দেন তখন সমসাময়িক উলামায়ে কিরামগণ উনারা এসে বলেন যে, হে হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি! শবে বরাত, শবে ক্বদরের কথা কুরআন শরীফ হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে। লাইলাতুল রগায়িব-এর কথা কুরআন শরীফ হাদীছ শরীফ-এর কোথাও রয়েছে কি?” অর্থাৎ লাইলাতুর রগায়িব-এর পক্ষে কোন দলীল আছে কি? জবাবে ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, অবশ্যই দলীল রয়েছে, আমি বিনা দলীলে কোন কথা বলিনা, আপনারা কি জানেন লাইলাতুর রগায়িব কোন রাত্রকে বলা হয়?
লাইলাতুর রগায়িব হচ্ছে- ওই মুবারক ও পবিত্র রাত্র; যে রাত্রিতে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার আম্মা উনার পবিত্র রেহেম শরীফ-এ কুদরতীভাবে তাশরীফ আনেন, আর সে রাত্রটি ছিল রজব মাসের পহেলা জুমুয়ার রাত্র। মহান আল্লাহ পাক তিনি অসংখ্য হাদীছে কুদসী শরীফ-এ ইরশাদ করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যদি না আসতেন তাহলে কিছুই সৃষ্টি হতো না। অর্থাৎ শবে বরাত, শবে ক্বদরসহ সকল বরকতপূর্ণ রাত্রগুলো উনার উসীলাতেই আমরা পেয়েছি। তখন সমস্ত উলামায়ে কিরাম বললেন, হুযূর! আমরা বুঝতে পেরেছি। অর্থাৎ লাইলাতুর রগায়িব-এর সম্পর্ক যেহেতু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে, তাই এ রাত্রির মর্যাদা শবে বরাত শবে ক্বদরের চেয়েও অনেক বেশি। সুবহানাল্লাহ!
No comments:
Post a Comment