পবিত্র সাইয়িদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারীর অবস্থান হবে- মহান আল্লাহ পাক উনার সন্নিধানে ছিদক্বের মাকামে
মুসলিম বিশ্বে যিনি সবচেয়ে বেশি কিতাব লিখেছেন, যিনি হিজরী দশম শতাব্দীর মুজাদ্দিদ ও ইমাম, সুলত্বানুল আরিফীন হযরত জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
“যখন কোনো মুসলমান নিজ বাড়িতে ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করে তখন সেই বাড়ির অধিবাসীগণের উপর থেকে মহান আল্লাহ পাক অবশ্যই খাদ্যাভাব, মহামারি, অগ্নিকান্ড, ডুবে মরা, বালা-মুছিবত, হিংসা-বিদ্বেষ, কু-দৃষ্টি, চুরি ইত্যাদি উঠিয়ে নেন। যখন উক্ত ব্যক্তি মারা যান তখন মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য মুনকার-নকীরের সুওয়াাল-জাওয়াব সহজ করে দেন। আর উনার অবস্থান হয় মহান আল্লাহ পাক উনার সন্নিধানে সিদকের মাক্বামে।” সুবহানাল্লাহ! (আন নি’য়ামাতুল কুবরা)
খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ দয়া, দান, ইহসান, ফযল ও করম হলো আখিরী রসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যিন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, তিনি তিনি হলেন রহমত, বরকত, সাকীনার উসিলা, অন্তরের ব্যাধি সমূহের আরোগ্যদানকারী, মুমিনদের জন হিদায়াত। তিনি হলেন সুসংবাদদাতা, ভয় প্রদর্শনকারী, সাক্ষীদাতা। মহান আল্লাহ পাক উনাকে হাদিয়াস্বরূপ দিলেন কায়িয়াতবাসীকে, কায়িনাতবাসীর দায়িত্ব-কর্তব্য, ফরয-ওয়াজিব হলো খুশি প্রকাশ করা, উনার তাযীম-তাকরীম করা, সম্মান করা, খিদমত করা, আর এই খুশি প্রকাশ করাটা হলো কায়িনাতের সবকিছুর চেয়ে উত্তম, তিনি যেমন কায়িনাতের সবছিুর চেয়ে উত্তম, সম্মানিত ও ফযীলতপ্রাপ্ত, উনার সাথে সম্পৃক্ত সব কিছুই কায়িনাতে সর্বাধিক প্রিয়, সম্মানিত ও ফযীলতপ্রাপ্ত। উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ তথা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার কারণে তা কায়িনাতের সবকিছুর চেয়ে ফযীলতপ্রাপ্ত ও সম্মানিত। যারা পত্রি সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করবে তারা ইহকাল-পরকাল দুই জাহানে কাময়াবী হাছিল করবে, মর্যাদা হাছিল করবে। যদি কোন মুসলমান নিজ বাড়ীতে খুশির সহিত পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার উছিলায় ঐ ব্যক্তিকে ছিদকের মাকাম দ্বারা সম্মানিত করবেন। সুবহানাল্লাহ!
No comments:
Post a Comment