রাজারবাগ দরাবর শরীফের লেখনীতে বিভিন্ন জেলার নাম পরিবর্তনের চিন্তাধারা এসেছে ব্রিটিশ বিরোধী চেতনা থেকে।
এ সম্পর্কে রাজারবাগ দরবার শরীফের দৈনিক পত্রিকা দৈনিক আল ইহসানে ১৮ মার্চ, ২০১৫ তারিখে একটি আর্টিকেল প্রকাশিত হয়। যার শিরোনাম ছিলো- “গোপালগঞ্জ’ জেলার নামকরণ হয়েছিল জমিদার রাসমণির নাতি ‘নবগোপাল’-এর নামানুসারে ॥ অথচ এই ‘রাসমণি’-ই ছিল বঙ্গবন্ধুর পূর্বপুরুষদের পারিবারিক শত্রু, যার চক্রান্তেই জমি ও ধনসম্পদ হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছিল শেখ পরিবার ॥ বঙ্গবন্ধুর পারিবারিক শত্রুর নামানুসারে তার পৈতৃক জেলার নাম হতে পারে না, তাই ‘গোপালগঞ্জ’র নামটি পরিবর্তন করে সম্ভ্রান্ত শেখ বংশের নামে ‘শেখগঞ্জ’ করা হোক “
একইভাবে নারায়নগঞ্জ, ঠাকুরগাও, লক্ষীপুর জেলার নাম পরিবর্তনের চিন্তাধারা এসেছে ব্রিটিশবিরোধী চেতনা থেকে। যেমন-
নারায়গঞ্জ জেলার নামকরণ হয়ছিলো ১৭৬৬ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির লিজ দেয়া লক্ষীনায়ায়ণ নামক এক ব্যক্তির নাম অনুসারে।
ঠাকুরগাও জেলার নামকরণ হয়েছে, ব্রিটিশ ঘনিষ্ঠ নারায়ণ চক্রবর্তী ঠাকুর ও সতীশ চক্রবর্তী ঠাকুরের নাম অনুসারে।
লক্ষীপুর জেলার নামকরণ হয়েছে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি থেকে রাজা উপাধি পাওয়া জমিদার রাজা গৌর কিশোর রায় চৌধুরীর পূর্ব পুরুষ লক্ষ্মী নারায়ণ রায়ের নাম অনুসারে।
এ প্রতিটি নাম ব্রিটিশ দালালির চেতনাযুক্ত। ব্রিটিশবিরোধী চেতনা থেকেই এ নামগুলো পরিবর্তনের দাবী উঠেছে।
আমরা জানি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন এবং তার কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেও ব্রিটিশ বিরোধী চেতনা লালন করেন। সুতরাং সেই ব্রিটিশ বিরোধী চেতনার অংশ হিসেবে জনমত তৈরী করতে জেলার নাম পরিবর্তন বিষয়ক এ লেখনি।
আমরা জনগণ হিসেবে এ দাবী তুলতে পারি, তবে তার বাস্তবায়ন করতে হবে খোদ সরকারকেই। তাই সরকারের কাছে আমরা লেখনীর মাধ্যমে ব্রিটিশবিরোধী চেতনার সম্বলিত নামগুলো পরিবর্তনের দাবী সব সময় জানিয়ে থাকি।
No comments:
Post a Comment