পুরুষের জন্য বাবরী চুল রাখা সুন্নত
=====================
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বাবরী চুল মুবারক রাখতেন। উনার বাবরী চুল মুবারক রাখার মধ্যে সাধারণত চার তরীক্বার বর্ণনা পাওয়া যায়।
(এক) জুম্মা অর্থাৎ কানের লতি বরাবর।
(দুই) লিম্মা অর্থাৎ কান ও ঘাড়ের মাঝামাঝি
(তিন) ওফরা অর্থাৎ ঘারের কিছুটা উপরে। এখানে স্মরনীয় যে, পুরুষের চুল ঘাড় স্পর্শ করা ও ঘাড় অতিক্রম করাটা হারাম। আর মহিলাদের চুল ঘাড়ের উপরে ছোট করে রাখা হারাম।
(চার) নিছফু উযনাইহি অর্থাৎ দু কানের মাঝামাঝি করে রাখতেন।
এ চার প্রকারই অবস্থাই বাবরী চুলের অন্তর্ভুক্ত।
উল্লেখ্য, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হজ্জ ও উমরা ব্যতীত কখনো চুল মুণ্ডন করেননি বা চুল ছোট করে রাখেননি।
কাজেই, হজ্জ ও উমরা ব্যতীত অন্য সময় প্রয়োজন ব্যতিত চুল মুণ্ডন করা বা ছোট করে রাখা সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত নয়।
[দলীলসমূহ: শরহে মিশকাত শরীফ, মিরক্বাত শরীফ, ফতওয়ায়ে আলমগীরী, ফতওয়ায়ে শামী, বুখারী, ফতহুল বারী, উমদাতুল ক্বারী, আইনী ইত্যাদি]
মহান আল্লাহ পাক এ সুন্নতী আমল করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
No comments:
Post a Comment