কুরবানী পশুর হাট বৃদ্ধিতে বাধা প্রদান প্রকৃতপক্ষে দ্বীন ইসলাম উনার বিরোধিতা করা।
বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী সরকারের ক্ষমতায় আসার অন্যতম প্রতিশ্রæতি হচ্ছে, পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরোধী কোনো আইন পাশ হবে না।
কিন্তু উক্ত সরকার স্বীয় প্রতিশ্রæতি আদৌ রক্ষা করতে পারেনি। নাউযুবিল্লাহ! আর উক্ত প্রতিশ্রæতি বা ওয়াদা তারা রক্ষা করতে পারবে না; এটাই শতভাগ ঠিক। কারণ মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন, হারামের দ্বারা হারাম ব্যতীত কিছু বের হয় না। মানবরচিত তন্ত্র-মন্ত্র অনুসরণ করে কখনোই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার হুকুম পালন করা যায় না। তাই তারা স্বীয় ওয়াদা বা প্রতিশ্রæতি ভঙ্গ করে সম্মানিত ঈমান ও ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে গেছে।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, যে ওয়াদা রক্ষা করে না তার ঈমান নেই। অর্থাৎ সে মুনাফিক। ফলে হারাম ও কুফরী তন্ত্র-মন্ত্র অনুসরণ করার কারণে তারা একটি দুটি ক্ষেত্রে নয় সর্বক্ষেত্রেই পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরোধী আইন, নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা অনুসরণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
আমরা দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমান উক্ত সরকারের সমস্ত হারাম ও কুফরী আইনের অনুসরণ ও বাস্তবায়নের প্রতি নিন্দা জানাই এবং তা থেকে তওবা করে ফিরে আসার আহŸান জানাই।
উল্লেখ্য, সম্মানিত কুরবানী মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তোষজনক ইবাদত ও ফযীলপূর্ণ এক বিশেষ ইবাদত। এই ইবাদতের সাথে সম্পৃক্ত হচ্ছে পশুর হাট। যেখানে পশু বেচা-কেনা করা হয়। পশুরহাট যতই বৃদ্ধি করা হবে ততই বেচা-কেনা করা সহজ হবে। পশু আনা-নেয়া সহজ হবে এবং বেচা কেনাও বৃদ্ধি হবে। অর্থাৎ কুরবানী দেয়া বা করার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা হবে। আর যদি হাট বৃদ্ধিতে বাধা দেয়া হয়, তাহলে কুরবানীর পশু বেচা কেনার মধ্যেই বাধা দেয়া হলো। যা প্রকারান্তরে কুরবানী করার মধ্যেই বাধা দেয়া হলো, যা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আদেশ মুবারকের প্রকাশ্য বিরোধী ও কুফরী। নাউযুবিল্লাহ!

No comments:
Post a Comment