ধর্মব্যবসায়ীদের ফান্ডে যাকাত দিলে, সেটা কবুল হবে না
খইরুল কুরুনের মধ্যে খলীফাগণ উনার খিলাফতকালে পবিত্র যাকাত উনার টাকা ‘বাইতুল মাল’ নামক ফান্ডে জমা হতো। সেখান থেকে খলীফাগণ পবিত্র যাকাত উনার হক্বদারদের মধ্যে পবিত্র যাকাত উনার মাল সুষম বণ্টন করে দিতেন।
কিন্তু বর্তমানে আমাদের দেশসহ পৃথিবীর কোথাও সেই খিলাফত ব্যবস্থা নেই, বরং চালু রয়েছে মানবরচিত ব্যবস্থা। ফলে এ ব্যবস্থায় পবিত্র যাকাত উনার মাল যথাযথ আদায় ও বণ্টিত না হওয়ায় মানুষ সাধারণত প্রচলিত সরকারের যাকাত ফান্ডে যাকাত না দিয়ে নিজ দায়িত্বে পবিত্র যাকাত আদায় করেন। সরকারি ফান্ডে কেবল যৎসামান্য লোকই যাকাত দিয়ে থাকে প্রকৃতপক্ষে যারা পবিত্র যাকাত আদায় করার মাসায়ালা-মাসায়িল সম্পর্কে নেহায়েতই অজ্ঞ। অন্যথায় যেখানে বছরে হাজার-হাজার কোটি টাকা যাকাত আদায় হওয়ার কথা সেখানে উক্ত যাকাত কর্তৃপক্ষ বলেছে- গত ২৬ বছরে মাত্র ৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা সরকারি ফান্ডে যাকাত আদায় হয়েছে। এটা এজন্যই যে, সরকারের নিম্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ শ্রেণী পর্যন্ত সকলেই ঘুষখোর, সুদখোর, দুর্নীতিবাজ, সম্পদ আত্মসাৎকারী। যার প্রমাণ বহন করছে দেশের প্রতিটি সংবাদ মাধ্যমগুলো। দুর্নীতি, চুরি ও আত্মসাতের এমন জাজ্বল্য প্রমাণ থাকায় এসব লোকদের নিকট পবিত্র যাকাত আদায়কারীগণ তাদের যাকাত দেয়াটা নিরাপদ মনে করে না।

No comments:
Post a Comment