দুই শ্রেণীর লোক ইছলাহপ্রাপ্ত হলে সমাজের সকলেই ইছলাহপ্রাপ্ত হয়
============
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
عَنِ حضرت ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " صِنْفَانِ مِنْ أُمَّتِي إِذَا صَلُحَا صَلُحَ النَّاسُ: الْأُمَرَاءُ وَالْفُقَهَاءُ "
অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমার উম্মতের দুই শ্রেণীর লোক যদি ইছলাহ প্রাপ্ত হয়, তাহলে পৃথিবীর সকল মানুষ ইছলাহপ্রাপ্ত হয়ে যাবে।
সেই দুই শ্রেণীর লোক হচ্ছে, আমীর-ওমরাহ তথা রাজা-বাদশাহ এবং মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার যারা ধারক-বাহক তথা আলিম উলামা।
(জামিউল বায়ান)
উপরোক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ থেকে দিবালোকের ন্যায় স্পষ্টভাবে বুঝা যায় যে, মানব সমাজের যারা নেতৃবৃন্দ, শাসক গোষ্ঠি, দেশের কর্ণধার এবং আলিম উলামাদেরকে সর্বপ্রথম আল্লাহওয়ালা তাক্বওয়া পরহেযগার সম্পন্ন হতে হবে। তাহলে পুরো সমাজ-মানবজাতি আল্লাহওয়ালা তথা ইছলাহপ্রাপ্ত হবে।
সুুবহানা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম।
আর যদি এই দুই শ্রেণীর লোক ইছলাহপ্রাপ্ত না হয়, গোমরাহ হয় দুনিয়াবী স্বার্থ হাছিলের উদ্দেশ্য থাকে তাহলে। তাহলে সমাজের লোকেরাও হবে পথভ্রষ্ট এবং তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত। তাদের মাঝে বিরাজ করবে অশান্তি আর অশান্তি। নাঊযূবিল্লাহ!
আর সমাজের এই দুই শ্রেণীর লোকসহ পৃথিবীর সকল মানুষকে ইছলাহপ্রাপ্ত হতে হলে সাইয়্যিদুনা মামদুহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নূরুদ দারাজাত মুবারকে অবশ্যই অবশ্যই এসে বাইয়াত মুবারক হয়ে যিকির-ফিকির করে ইছলাহপ্রাপ্ত হয়ে আল্লাহওয়ালা হওয়ার কোশেশ করতে হবে।

No comments:
Post a Comment