মহান আল্লাহ পাক উনার নিকটবর্তী, জান্নাতের নিকটবর্তী এবং মানুষের নিকটবর্তী হওয়ার আমল হচ্ছে ‘দান করা’
দানশীলতা একটি উত্তম গুণ। এরূপ ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ পাক তিনি ভালোবাসেন। মানুষের নিকট সে প্রিয়। আর কৃপণ ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ পাক তিনি মুহব্বত করেন না, মানুষও তাকে মুহব্বত করে না। যার কারণে সে হয়ে যায় জাহান্নামী। নাউযুবিল্লাহ! যেমন এ সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِىِّ -صلى الله عليه وسلم- قَالَ السَّخِىُّ قَرِيبٌ مِنَ اللَّهِ قَرِيبٌ مِنَ الْجَنَّةِ قَرِيبٌ مِنَ النَّاسِ بَعِيدٌ مِنَ النَّارِ وَالْبَخِيلُ بَعِيدٌ مِنَ اللَّهِ بَعِيدٌ مِنَ الْجَنَّةِ بَعِيدٌ مِنَ النَّاسِ قَرِيبٌ مِنَ النَّارِ وَلَجَاهِلٌ سَخِىٌّ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ مِنْ عَابِدٍ بَخِيلٍ
অর্থ: হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- দানশীল ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকটে, জান্নাত উনার কাছাকাছি, মানুষের কাছাকাছি আর জাহান্নাম থেকে দূরে। সুবহানাল্লাহ! বিপরীতপক্ষে কৃপণ ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার থেকে দূরে, জান্নাত উনার থেকে দূরে, মানুষের কাছ থেকেও দূরে কিন্তু জাহান্নাম এর খুব কাছাকাছি। আর মূর্খ দানশীল ব্যক্তি কৃপণ আবেদ (ইবাদতকারী) থেকেও উত্তম। সুবহানাল্লাহ!

No comments:
Post a Comment