Sunday, October 25, 2020

নিশ্চিত পরাধীনতার পথে ধাবমান বাংলাদেশ (পর্ব-৬)

 নিশ্চিত পরাধীনতার পথে ধাবমান বাংলাদেশ (পর্ব-৬)



আলু, পেঁয়াজ, লবণ কিংবা এই ধরণের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের প্রায়শই হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধি এবং জাতীয় জীবনে চরম হতাশা কেবল এটাই প্রমাণ করে যে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এখন এইডস এর মতো ভয়ঙ্কর একটি মরণ ব্যাধিতে আক্রান্ত।


মানব শরীরে এইডস রোগের বহিঃপ্রকাশও ঠিক তেমনি, ধীরে ধীরে প্রকাশ পায়। হঠাৎ নিউমোনিয়া, হঠাৎ জ্বর কিংবা কাশির মত রোগের বহিঃপ্রকাশ হতে হতে এক সময় প্রমাণ পাওয়া যায় যে একজন ব্যক্তি এইডস রোগে আক্রান্ত, তার মৃত্যু অবধারিত।


বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের অবস্থাও বর্তমানে এইডস রোগে আক্রান্ত এক রোগীর মত। ভিতর থেকে স্বাধীনতার প্রাণশক্তি নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে যার বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে ভারতের পক্ষে ক্ষমতাসীনদের নির্লজ্জ দালালী, সীমাহীন দুর্নীতি, সর্বদা রাজনৈতিক অস্থিরতা, অসৎ সিন্ডিকেট কর্তৃক মাঝে মধ্যেই নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি এবং জাতীয় জীবনে আজ চরম হতাশা।


একটু লক্ষ্য করলেই বোঝা যায় যে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য মোদীর নির্দেশে বাংলাদেশের সমস্ত ক্ষমতা ও সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ পদ ১.৫% হিন্দুদের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।


যেখানে বাংলাদেশের হিন্দু ব্যাঙ্ক ম্যানেজারেরা ভল্ট থেকে সমস্ত টাকা নিয়ে বউ বাচ্চা সহ ভারতে পালিয়ে যাচ্ছে, সেখানে এক হিন্দুকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন নির্বাহী পরিচালকের পোস্ট দেয়া হয়েছে। অপেক্ষা করছি সেই দিনটির জন্য যেদিন শুনতে পাব পুরো ব্যাংক খালি করে ঐ মালুও বউ, বাচ্চাসহ ভারতে পালিয়েছে।


বতর্মানে বাংলাদেশের অর্থনীতি, গোয়েন্দা কার্যক্রম, পুলিশ বাহিনী ও শিক্ষার মত গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের নীতি নির্ধারণের ৮০% দায়িত্বে আছে দেশের ১.৫% হিন্দুদের প্রতিনিধিরা যারা আসলে বাংলাদেশের নয়, বরং অখণ্ড ভারতের পক্ষে। এমনকি ৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশের ধর্ম সচিব হচ্ছে একজন হিন্দু। আবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছে বিতর্কিত এক প্রতিমন্ত্রী যার বিন্দুমাত্র ধর্মীয় জ্ঞান পর্যন্ত নাই।


পুলিশের গেয়েন্দা প্রধানের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে একজন হিন্দুকে। বাকী রইলো শুধু এখন ডিজি এফ আই এবং এন এস আই এর ডিজির দায়িত্বে হিন্দু বসানো।


তবে বর্তমানে যারা এসব দায়িত্বে আছে, জন্মসূত্রে মুসলমান হলেও চলমান হিন্দু আগ্রাসনের বিরূদ্ধে মৃত বাঘের মতোই নিষ্ক্রিয়। এরা সবাই হাসিনা কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত হিন্দুদের সেবাদাস ছাড়া কিছুই নয়।


দেশটি যে ভয়ংকর পরিনতির দিকে ধাবমান তা বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রামের এক রিক্সাচালকও বুঝতে পারছে, কিন্তু মদ, নারী আর ক্ষমতার লোভে মাতিয়ে রেখে ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনী তাদেরকে এক স্বপ্নিল জগতে নিয়ে গেছে। আর বাংলাদেশের গোয়েন্দা বাহিনী এখন চোখ ও কান থাকার পরেও অন্ধ ও বধির।


এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে বাংলাদেশের মানুষকে সম্মিলিত ভাবে সংবাদ সম্মেলন, মানব বন্ধন করতে হবে। তীব্র প্রতিবাদ করতে হবে যে দেশের ১.৫% হিন্দুদেরকে ৮০% গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্বে নিয়োজিত করা যাবে না।


বাংলাদেশ সরকার ইচ্ছা/অনিচ্ছায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির গ্রাউন্ড তৈরী করছে। দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য প্রশাসনে হিন্দুআয়ন বন্ধ করতে হবে।


বাংলাদেশের মানুষের কাছে এখন একমাত্র উপায় হলো প্রতিবাদ ও সরাসরি মাঠে নেমে কাজ করা। বসে থেকে চেয়ে চেয়ে দেখার সময় শেষ। এটা যত শীনিশ্চিত পরাধীনতার পথে ধাবমান বাংলাদেশ (পর্ব-৬)


আলু, পেঁয়াজ, লবণ কিংবা এই ধরণের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের প্রায়শই হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধি এবং জাতীয় জীবনে চরম হতাশা কেবল এটাই প্রমাণ করে যে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এখন এইডস এর মতো ভয়ঙ্কর একটি মরণ ব্যাধিতে আক্রান্ত।


মানব শরীরে এইডস রোগের বহিঃপ্রকাশও ঠিক তেমনি, ধীরে ধীরে প্রকাশ পায়। হঠাৎ নিউমোনিয়া, হঠাৎ জ্বর কিংবা কাশির মত রোগের বহিঃপ্রকাশ হতে হতে এক সময় প্রমাণ পাওয়া যায় যে একজন ব্যক্তি এইডস রোগে আক্রান্ত, তার মৃত্যু অবধারিত।


বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের অবস্থাও বর্তমানে এইডস রোগে আক্রান্ত এক রোগীর মত। ভিতর থেকে স্বাধীনতার প্রাণশক্তি নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে যার বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে ভারতের পক্ষে ক্ষমতাসীনদের নির্লজ্জ দালালী, সীমাহীন দুর্নীতি, সর্বদা রাজনৈতিক অস্থিরতা, অসৎ সিন্ডিকেট কর্তৃক মাঝে মধ্যেই নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি এবং জাতীয় জীবনে আজ চরম হতাশা।


একটু লক্ষ্য করলেই বোঝা যায় যে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য মোদীর নির্দেশে বাংলাদেশের সমস্ত ক্ষমতা ও সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ পদ ১.৫% হিন্দুদের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।


যেখানে বাংলাদেশের হিন্দু ব্যাঙ্ক ম্যানেজারেরা ভল্ট থেকে সমস্ত টাকা নিয়ে বউ বাচ্চা সহ ভারতে পালিয়ে যাচ্ছে, সেখানে এক হিন্দুকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন নির্বাহী পরিচালকের পোস্ট দেয়া হয়েছে। অপেক্ষা করছি সেই দিনটির জন্য যেদিন শুনতে পাব পুরো ব্যাংক খালি করে ঐ মালুও বউ, বাচ্চাসহ ভারতে পালিয়েছে।


বতর্মানে বাংলাদেশের অর্থনীতি, গোয়েন্দা কার্যক্রম, পুলিশ বাহিনী ও শিক্ষার মত গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের নীতি নির্ধারণের ৮০% দায়িত্বে আছে দেশের ১.৫% হিন্দুদের প্রতিনিধিরা যারা আসলে বাংলাদেশের নয়, বরং অখণ্ড ভারতের পক্ষে। এমনকি ৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশের ধর্ম সচিব হচ্ছে একজন হিন্দু। আবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছে বিতর্কিত এক প্রতিমন্ত্রী যার বিন্দুমাত্র ধর্মীয় জ্ঞান পর্যন্ত নাই।


পুলিশের গেয়েন্দা প্রধানের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে একজন হিন্দুকে। বাকী রইলো শুধু এখন ডিজি এফ আই এবং এন এস আই এর ডিজির দায়িত্বে হিন্দু বসানো।


তবে বর্তমানে যারা এসব দায়িত্বে আছে, জন্মসূত্রে মুসলমান হলেও চলমান হিন্দু আগ্রাসনের বিরূদ্ধে মৃত বাঘের মতোই নিষ্ক্রিয়। এরা সবাই হাসিনা কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত হিন্দুদের সেবাদাস ছাড়া কিছুই নয়।


দেশটি যে ভয়ংকর পরিনতির দিকে ধাবমান তা বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রামের এক রিক্সাচালকও বুঝতে পারছে, কিন্তু মদ, নারী আর ক্ষমতার লোভে মাতিয়ে রেখে ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনী তাদেরকে এক স্বপ্নিল জগতে নিয়ে গেছে। আর বাংলাদেশের গোয়েন্দা বাহিনী এখন চোখ ও কান থাকার পরেও অন্ধ ও বধির।


এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে বাংলাদেশের মানুষকে সম্মিলিত ভাবে সংবাদ সম্মেলন, মানব বন্ধন করতে হবে। তীব্র প্রতিবাদ করতে হবে যে দেশের ১.৫% হিন্দুদেরকে ৮০% গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্বে নিয়োজিত করা যাবে না।


বাংলাদেশ সরকার ইচ্ছা/অনিচ্ছায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির গ্রাউন্ড তৈরী করছে। দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য প্রশাসনে হিন্দুআয়ন বন্ধ করতে হবে।


বাংলাদেশের মানুষের কাছে এখন একমাত্র উপায় হলো প্রতিবাদ ও সরাসরি মাঠে নেমে কাজ করা। বসে থেকে চেয়ে চেয়ে দেখার সময় শেষ। এটা যত শীঘ্র বুঝবেন ততই মঙ্গল!ঘ্র বুঝবেন ততই মঙ্গল!

No comments:

Post a Comment

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...