Monday, September 28, 2020

সম্মানিত মুজাদ্দিদগণ প্রসঙ্গে-৩

 সম্মানিত মুজাদ্দিদগণ প্রসঙ্গে-৩



হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহিঃ তিনি তৃতীয় হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ (মুজাদ্দিদগণের ধারাবাহিকতায় তিনি দ্বিতীয়) এবং হাম্বলী মাযহাবের ইমাম ও প্রতিষ্ঠাতা। তিনি বাগদাদে হযরত ইমামে আযম আবু হানিফা রহমতুল্লাহি আলাহি উনার ছাত্র হযরত আবু ইউসুফ রহমতুল্লাহি আলাহি ও হযরত মালিক বিন আনাস রহমতুল্লাহি আলাহি উনার ছাত্র শাফিয়ী মাযহাবের ইমাম ও প্রতিষ্ঠাতা হযরত ইমাম শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কাছে বাইয়াত হয়ে ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাউফ শিক্ষা করেন। এছাড়া হযরত আবূ হামযাহ্‌ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কাছ থেকেও তিনি ইলমে তাছাউফের নিসবত হাছিল করেন। উনার উল্লেখযোগ্য তাজদীদসমূহের দু’টি নিম্নরূপ- ১) “লাইলাতুল রগাইব” অর্থাৎ রজব মাসের পহেলা জুমুয়ার রাত্র, যে রাত্রে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উনার আব্বার পিঠ মুবারক থেকে উনার আম্মার রেহেম শরীফে তাশরীফ এনেছেন, সে রাত্রের মর্যাদা ও ফযীলত শবে বরাত ও শবে ক্বদর থেকেও বেশী। ২) সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নত মুবারকের উপর আমল করা ফরজ। তাঁর পবিত্র জীবন মুবারকের ব্যাপ্তীকাল ১৬৪ হিজরী থেকে ২৪১ হিজরী।

হযরত আহমদ ইবনে হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাহি উনার সমস্ত জীবন ব্যাপী মুতাজিলা যুক্তিবাদী মতবাদের বিরোধিতা করেছেন। সে সময়কার শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া মুতাযিলা আকিদা ভয়াবহ রুপ ধারণ করে। 

তৎকালীন সময়ে খলিফা হারুনুর রশীদের পুত্র মামুন ও তৎপরবর্তী খলিফা মুতাসিম ও মুতাসিকের খিলাফতের সময়ে খলীফার অনুকুলে থাকা মুতাজিলাদের বিরোধিতা করায় তিনি একটি দীর্ঘ সময় রাষ্ট্রীয়ভাবে কারাবাস ও কঠোর সাজাপ্রাপ্ত হন এবং এ সময় তার উপর কঠোর নির্যাতন ও অত্যাচার চালানো হয়। তিনি নিদারুন কস্টভোগ করে যদি মুতাযিলা আকিদার বিরুদ্ধাচরণ না করতেন তবে আজ ইসলাম কোথায় গিয়ে দাড়াতো তা চিন্তাও করা যায়না। 


ভয়াবহ মুতাযিলা আকিদার ইতিহাস 

ওয়াছিল ইবনে আতা’ (মৃত ১৩১ হিজরি) নামে এক ব্যক্তি স্বীয় ওস্তাদ সুবিখ্যাত তাবেয়ী হযরত হাসান বছরীর রাহিমাহুল্লাহ (৬৪২-৭২৮) দরবার থেকে এই উক্তি করতে করতে বের হয়ে গেল যে, কবীরাহ গুনাহকারী মুমেনও নয় আবার কাফেরও নয়। হযরত হাসান বসরী তার এই অদ্ভুত উক্তি শ্রবণ করতঃ বললেন, قَدْ اِعْتَزَلَ عَنَّا অর্থাৎ সে আমাদের দল থেকে বহির্গত হয়ে গেছে। হযরত হাসান বসরী রাহিমাহুল্লাহর অত্র উক্তি অনুসারে তাদের দলের নাম হয়ে গেল মুতাজিলাহ। অনেকে মনে করেন, ব্যাপকহারে গ্রীক দর্শন ও গ্রীক তর্কশাস্ত্র আমদানি ফলে মুতাজিলা ফের্কার আত্মপ্রকাশ ঘটে। তারা কুরআন ও সুন্নাহ নীতি ত্যাগ করে কতক নীতিমালা তৈরি করে, যার নামকরণ করে ‘ইলমুল কালাম’, বা কালাম শাস্ত্র, তার ভিত্তিতে তারা আকিদা উপস্থাপন করে। মুতাজিলা বাদীরা ধর্মকে যুক্তি দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করে এবং বলে যুক্তি ছাড়া কিছু গ্রহনযোগ্য হতে পারে না। বুদ্ধি খাটিয়ে ইসলাম পালন করতে হবে বলে তারা বিশ্বাস করে। আর কুরআন শরীফকে আল্লাহ পাক উনার সৃষ্ট বলার কারণে তারা বেশি আলোচিত। তাদের মতে কুরআন শরীফ আল্লাহ পাক উনার সাথে একই অস্তিত্বে ছিল না বরং তা আল্লাহর সৃষ্ট। তাদের যুক্তিতে আব্বাসীয় খলিফা আল মামুন মুতাজিলা মতবাদকে সত্য হিসেবে গ্রহণ করেন। এর ফলশ্রুতিতে মুতাজিলারা রাজদরবারের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করে। এরপর মামুন অনুবাদ সংস্থা প্রতিষ্ঠা করে এবং দর্শন শাস্ত্রের অনেক কিতাব আমদানি করে। গ্রীক দর্শনের কিতাবসমূহের অনুবাদ, তার উপর মু‘তাযিলাদের গভীর মনোযোগ প্রদান করে। এই ইলমে কালামের উপর ব্যাপক গবেষনার ফলে মুতাজিলাদের নিকট এর ভিত রচনা হয় এবং রাজ দরবারে একটা স্বতন্ত্র মাযহাব হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এর প্রভাবে খলিফা মামুন যুক্তি ভিত্তিক আকিদা বিশ্বাস করতে আহবান জানায় এবং অনেক কে বাধ্য করে। সে বায়তুল হিকমাহ এর প্রতিষ্ঠাতা। তার পরবর্তী খলিফা আল মুতাসিম ও আল ওয়াসিক এই মতবাদকে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠা করতে ভিন্ন মতালম্বীদ আলেমদের উপর নির্যাতন, গ্রেফতার, কারারুদ্ধ এমনকি হত্যাও করতে শুরু করেন। মুতাজিলা মতবাদকে প্রতিষ্ঠা করতে বিরুদ্ধ পক্ষকে দমনের এই ধারণা ‘মিনহা’ নামে পরিচিত। মূলত মুতাজিলাদের ধারণা “পবিত্র কুরআন শরীফ আল্লাহ পাক উনার কালাম নয়, বরং তা সৃষ্ট”। সে সময়র অনেক আলেম এই মতবাদকে স্বীকার করে নেন এবং অনেকে এই প্রসঙ্গে চুপ করে যান। কিন্তু এর প্রতিবাদে সরব হয়ে উঠেন বিখ্যাত হাদিসবিশারদ ও ফকিহ এবং সে সময়ের সম্মানিত মুজাদ্দিদ ইমাম আহমেদ ইবন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি । কুরআন আল্লাহ পাক উনার কালাম এ ব্যাপারে অটল থাকার কারণে উনাকে দীর্ঘ সময় কারারুদ্ধ করে রাখা হয় ও অবর্ণনীয় নির্যাতনের স্বীকার হতে হয়। এই ঘটনা জনরোষের সৃষ্টি করে। বাগদাদের পথে পথে আরম্ভ হওয়া দাঙ্গা আব্বাসীয় খিলাফতকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেয়। অবশেষে ৮৪৮ খৃস্টাব্দে খলিফা আল-মুতাওয়াক্কিল (১০ম আব্বাসীয় খলিফা) হযত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি কে মুক্তি প্রদান করেন। তিনি কুরআন সুন্নাহকে ভালবাসতেন। তিনি চারি দিকে ফরমান পাঠান যে, “পবিত্র কুরআন আল্লাহ পাক উনার কালাম , তা সৃষ্ট নয়। আর ধিরে ধিরে মতবাদের পতন ঘটে।

মুতাজিলাদের চিন্তাধারাকে পাঁচটি মূলনীতির মধ্যে সংক্ষিপ্ত করা যায়ঃ

১। মু‘তাযিলারা আল্লাহর নাম ও গুণাবলী তথা সিফতকে আল্লাহর সাথে অন্তর্ভুক্ত করতে স্বীকার করে না। তারা যুক্তি দেয় আল্লাহকে কোন কিছুর সাথে তুলনা করা যাবে না। তারা আল্লাহ পাককে গুণহীন সত্তা মনে করে। 

২। মুতাজিলারা পবিত্র কুরআন শরীফকে আল্লাহ পাক উনার অন্যান্য সৃষ্টির মতই সংশোধনযোগ্য সৃষ্টি বলে মনে করে। নাউযুবিল্লাহ। 

বুদ্ধিবাদী এই দলটির অতি যুক্তিবাদী উপর নির্ভর করে পুরা হাদীছ শাস্ত্রকেই অস্বীকার করেছে। এমনকি যুক্তির বাইরে হওয়ায় তারা কুরআন শরীফের অবোধ্য বিষয়গুলি এবং রাসূল (ছাঃ)-এর মু‘জিযাসমূহকে অস্বীকার করেছে। বিশিস্ট সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রদিয়াল্লাহু আনহু উনাকে ‘সেরা মিথ্যুক’ বলতেও দ্বিধা বোধ করেনি। নাউযুবিল্লাহ । ছাহাবী ও তাবেঈগণের ফৎওয়াসমূহকে তারা তাচ্ছিল্য করে এবং উনাদেরকে মূর্খ ও মুনাফিক বলে। এমনকি উনাদের অনেককে স্থায়ীভাবে জাহান্নামী বলে (নাঊযুবিল্লাহ)।

পবিত্র কুরআন শরীফ আল্লাহ পাক উনার কালাম। কুরআন শরীফ আল্লাহ পাক উনার নিকট থেকে নাযিল হয়েছে। অন্যান্য সৃষ্টির মত সৃষ্ট জিনিষ নয়।বরং তা আল্লাহর কালাম ও সিফাত।  

 যে সকল সহিহ হাদিস তাদের প্রবৃত্তির বা যুক্তির বিপক্ষে সেগুল তারা ত্যাগ করে। এই জন্য তারা বাতিল আকিদা তৈরি করে ইসলামের নামে চালিয়ে দিয়েছে। ফলোশ্রতিতে তারা কবরের আযাব, পুলসিরাত ও মীযান অস্বীকার করে। এবং হাসিসে প্রমাণিত এরূপ অনেক গায়েবি বিষয় তারা অস্বীকার করে। এভাবে যুক্তি, মতামত ও বিবেককে কুরআন ও সুন্নাহর্ উপর বিচারক হিসাবে সাব্যস্ত করে সেগুলি পরিত্যাগ করে। 

৩। প্রাচীন গ্রীকদের মত মুতাজিলারাও মানুষের স্বাধীন ইচ্ছায় বিশ্বাস করে। তারা মনে করে যে আল্লাহ মানুষের ভাগ্য পূর্বনির্ধারণ করতে পারেন না। বরং মানুষ আল্লাহর ইচ্ছার বাইরেও সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। নাউযুবিল্লাহ। 

৪। মুতাজিলারা তাদের যুক্তি প্রয়োগ করার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে আল্লাহ পাক উনার কোন দয়া বা অনুকম্পা হবে ন্যায়বিচারের লঙ্ঘন ও তার প্রকৃতির সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। 

৫। মুতাজিলারা কুফর ও ইমানের মাঝে একটি স্বতন্ত্র স্তর আবিস্কার করে। তারা মনে করে যে একজন কবিরা গুনাহ কারি ঈমানদার তাওবা করা ছাড়াই মৃত্যুবরণ করে, তবে ঐ ব্যক্তিকে তারা কাফির বা মুমিন কোনটিই বলতে রাজি নয়। 

৬। ‘সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ’ ধারণাকে মুতাজিলারা গ্রহণ করে। এই লক্ষ্যে শক্তিপ্রয়োগকে তারা বৈধ মনে করে।.  

বর্তমানে মুতাযিলাদের চেয়েও ভয়াবহ আকিদা রয়েছেঃ 

১. বর্তমানে যাদের মুতাজিলাদের মত মনে হবে তারা হল, সেই সকল পশ্চিমা ভাবধারার মডারেট মুসলিম, যারা মনগড়া যুক্তি দিয়ে কুরআন শরীফ ও সহিহ হাদিস শরীফ ব্যাখ্যা করে। তাদের যদি দলিল জানতে চান তবে তারা কুরআন ও সুন্নাহ থেকেই দলিল দিবে। সাথে দিবে বিশাল সব যুক্তি ও ব্যাখা যার সাথে ইসলামের স্বর্ণযুগের সলফে সালেহীনদের সাথে নুন্যতম মিল খুজে পাওয়া যাবে না।

২. সাধারন শিক্ষায় শিক্ষিত, ডাক্তার, ইজ্ঞিনিয়ার বা আমল ইসলামের বিধি বিধান মানার চেষ্টা করে। ইসলাম সম্পর্কে ভাল জ্ঞান রাখে। যখন গতানিগতিক চলে আসা কোন ভুল আমল, কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে সংশোধণ করার কথা বলা হবে। অমনি যুক্তি দাড় করায়, এত মানুষ কি ভুল আমল করছে? এত দিন কি মানুষ বুঝে নি? অমুক আলেম যে এভাবেই করছে আর কত যুক্তি। যুক্তির আর শেষ নেই। অথচ যুক্তি না খুজে শিক্ষিত লোক হিসাবে তার উচিত্ ছিল সত্য অনুসন্ধান করা। 

৩. এক শ্রেণীর আলেম যারা কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ উনার ধার ধারেনা। তার নিকট মুরুব্বিদের কাছ থেকে যে এলম পৌছেছে তাকে শতভাগ সহিহ জেনে আমল করছে। কুরআন ও সুন্নাহ দ্বারা কোন সংশোধ করার চেষ্টা করলে, নিজের মতবাদ ঠিক প্রমানের মানষে যুক্তির পসরা সাজায়। এই যুক্তিবাদী মুতাজিলা আলেম একবারের জন্যও সঠিক ইসলাম গ্রহনে আগ্রহ দেখায় না।

৪. এমনই অনেক কে পাবেন যারা যুক্তি দ্বারা পরিস্কার হারাম জিনিস হালাল করছে। যুক্তি দ্বারা হাদিস শরীফ কে অস্বীকার করছে। কুরাআন শরীফে নেই বলে, এই যুক্তিতে কবরের জীবন কে অস্বীকার করছে। এরাই মুতাজিলাদের কাছাকাছি বলে মনে করা যেতে পারে।


সম্মানিত মুজাদ্দিদ হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তথাকথিত খলিফাদের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখতেন। 

২৩৭ হিজরী সালে খলিফা মুতাওয়াক্কিল হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহিকে তার নিকট নিয়ে যাবার জন্য বাগদাদের নায়িক কে পত্র লিখেন। হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট এই সংবাদ পৌছনে তিনি বলেন, আমি বৃদ্ধ ও দুর্বল কাজেই খলিফার আহবানে সাড়া দিতে পারবনা। খলিফা পূণরায় খবর পাঠান যে কোন উপায় আমর নিকট আনতে হবে। পাশাপাশি তিনি পত্র লিখলেন, আমি আপনার নৈকট্য লাভ ও আপনাকে এক নজর দেখার প্রত্যশা করছি এবং আপনান দোয়ার বরকত অর্জনের আশা করছি। যাহোক তিনি খলিফার অনুরোধ রাখলেন। খলিফা তার রাজকিয় সম্মান দেখালেন, থাকা খাওয়ার জন্য রাজকীয় ব্যাবস্থা করলেন, তার ভাতার ব্যাবস্থা করলেন, তার জন্য চিকিত্সার ব্যাবস্থা করলেন এক কথায় সব ধরনের সাম্মান তাকে দিয়েছিলেন। এমনকি মাতা ও সন্তানের সাথেও সাক্ষাত করে দোয়া চেয়েছেন। কিন্তু ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল ইহার কোনটিই গ্রহন করেনি। বরং তিনি এখানে থাকা অবস্থায় একাধারে আটদিন রোজা রেখেছেন। 


শেষকথাঃ 

মুজাদ্দিদগণ একেবারেই আলাদা কিছু গুণের অধিকারী হয়ে থাকেন। সে সময় আলেম উলামা কম ছিলনা কিন্তু উনারা শাস্তির ভয়ে কেউ নিরব ছিলেন কেউ বা মুতাযিলাদের আকিদার কাছে পরাস্ত হন। কিন্তু যেহেতু হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মুজাদ্দিদ ছিলেন তিনি কঠিনভাবে তাদের আকিদার বিরুদ্ধাচরণ করে সঠিক আকিদাকে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। আব্বাসীয় দশম খলীফা আল মুতাওয়াক্কিল উনার প্রতি অতি সুধারণা রাখার পরে তিনি শাসকদের মেহমানদারী গ্রহণ করেন নি। শাসক শ্রেনীকে এড়িয়ে চলেছেন। মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি অনন্তকাল ধরে শান্তি বর্ষণ করুন। আমিন।


Writer_ Abm Ruhul Hassan

No comments:

Post a Comment

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...