চেহারা-ছুরতেও মুসলমানিত্ব প্রকাশ করতে হবে।
পবিত্র কা’বা শরীফের দিকে ফিরে নামায পড়তে হয়। অন্য কোনো দিকে ফিরে হাজার হাজার রাকায়াত নামায পড়লেও নামায আদায় হবে না। বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহ অনেক কিছুতে এগিয়ে যাচ্ছে। তারা যুগের সাথে তাল মিলিয়ে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করেছে, ডিগ্রি নিচ্ছে, পিএইচডি করছে, গবেষণা করছে। কিন্তু সরে যাচ্ছে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার হুকুম-আহকাম থেকে। আজ মুসলমানরা সুন্নতী পোশাকের বদলে অমুসলিমদের স্যুট-কোর্ট, প্যন্ট, টাই পরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ক্লিনশেভ করছে, হিন্দুদের পূজায় যাচ্ছে, তাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছে, পূজার প্রসাদ খাচ্ছে। ইহুদী, খ্রিস্টান মুশরিকদের কালচারকে আধুনিক বলে গ্রহণ করছে। মুসলমানদের চেহারা-ছুরত আচার আচরণ দেখে কোনোভাবেই বুঝার উপায় নেই- সে কি আসলেই মুসলমান, নাকি বিধর্মী।
মুসলমানদের এই অবস্থার কারণ তাদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য তথা ক্বিবলা পরিবর্তন হয়ে গেছে, তারা এখন আর দ্বীন ইসলাম চায় না, অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ মুতাবেক চলতে চায় না, বরং চায় কাফির-মুশরিকদের মত দুনিয়াদারী, চায় কথিত সেলিব্রেটিদের মতো নাম-ধাম কামাই করতে। প্রকৃত পক্ষে ইসলাম আর মুসলমান এখন আলাদা হয়ে গেছে। মুসলমান এখন তাদের পরিচিতিতেই শুধু ‘ইসলাম’ শব্দটি রাখে...বাকি সকল কিছু থেকেই ইসলামকে তারা আলাদা করে ফেলেছে। মুসলমান পরিচয় দিতেও তারা হীনম্মন্যতায় ভোগে। নাউযুবিল্লাহ!
মুসলমানদের অন্তরের ক্বিবলাকে পরিবর্তন করা ছাড়া মুসলমানদের এ অবস্থা পরিবর্তন হবে না। মুসলিম উম্মাহকে পরিপূর্ণভাবে অর্থাৎ পোশাক-আশাক, চালচলন, কথা-বার্তা, লেনদেন সবকিছুতেই দ্বীন ইসলাম উনার হুকুম-আহকাম মেনে চলতে হবে। তবেই মুসলমানদের কামিয়াবী।

No comments:
Post a Comment