নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে তথা উনার আদর্শ মুবারক অনুসরণ অনুকরণের অন্যতম অনুষঙ্গ হচ্ছেন পবিত্র কুরবানী মুবারক। এই পবিত্র কুরবানী মুবারক স্বয়ং নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সকলের জন্য আদর্শ মুবারক স্থাপনের লক্ষ্যে নিজ হাত মুবারক দিয়ে নিজেই করেছেন এবং উম্মতদেরকে পবিত্র কুরবানী মুবারক করার জন্য আদেশ মুবারকও করেছেন। যা কিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।কিন্তু অত্যন্ত আফসুস ও পরিতাপের বিষয়! আজ দেখা যাচ্ছে, ৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তারা নিজেকে মুসলমান বলে, মুসলমান দাবী করে, মুসলমান পরিচয় দিয়ে, টাকার লোভে, ক্ষমতার লোভে তাদের অমুসলিম মনিবকে তথা ব্রিটিশ বেনিয়া কাফির, মুশরিক, ইহুদী, খৃষ্টান ও হিন্দুদেরকে খুশি করার জন্য নানান অজুহাত দিয়ে, যুক্তিতর্ক দিয়ে, ভিন্ন দেশের তুলনা দিয়ে, মুসলমানদের পবিত্র কুরবানী নিয়ে চক্রান্ত করছে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
তাই পবিত্র কুরবানী আসলেই উক্ত মহলটি অপপ্রচার করে যে ‘পবিত্র কুরবানীর পশুর হাটের কারণে রাস্তায় যানজট সৃষ্টি হয়’এখন আবার বলছে করোনা হবে। নাউযুবিল্লাহ!
দেশের হাট-বাজার দোকানপাট সব কিছুই খোলা আছে সমস্যা হচ্ছে না শুধুমাত্র কুরবানির হাট বসলে সমস্যা?
মুলত এটা তাদের সম্পূর্ণ মিথ্যা মনগড়া বানানো কথা। প্রকৃতপক্ষে তারা এই মিথ্যাচার ও প্রোপাগান্ডা করে মুসলমানদেরকে পবিত্র কুরবানী থেকে নিরুৎসাহিত করতে চায়। নাউযুবিল্লাহ!
কাজেই ঐ মহলটির জেনে রাখা উচিত মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ্্ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاجْتَنِبُوا قَوْلَ الزُّورِ
অর্থ: “ তোমরা মিথ্যা কথা বলা থেকে বিরত থাক।” (পবিত্র সূরাতুল হজ্জ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩০)
কাজেই মুসলমান দেশ মুসলমান সরকারের উচিত হবে, পবিত্র কুরবানী বিদ্বেষী মহলের মিথ্যাচার ও প্রোপাগা-ায় বিভ্রান্ত না হওয়া। বরং মুসলমানগণ যাতে অতি সহজেই পবিত্র কুরবানী করতে পারেন তার জন্য সব রকমের সুব্যবস্থা করা, পবিত্র কুরবানীর পশুর হাটকে ঢাকার বাইরে না নেয়া। হাটের সংখ্যা বৃদ্ধি করা। আর এই লক্ষ্যে প্রতি রাস্তার পাশে, প্রতি পাড়ায়, মহল্লায় পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট বসানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। এটা সম্মানিত মুসলমানদের অধিকার।
No comments:
Post a Comment