ফিঙ্গার প্রিন্ট পদ্ধতির জনক মুসলমানরাই অথচ আজ মুসলমানরাই সেই শরীয়তসম্মত পদ্ধতির সুবিধা লাভ থেকে বঞ্চিত।
সম্পূর্ন শরীয়তসম্মত ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি আবিষ্কারের কথা আজ কতজন মুসলমানই বা জানেন? জানবে কি ভাবে, অপরাধী শনাক্তকরণে ফিঙ্গারপ্রিন্ট তথা আঙুলের ছাপের আবিষ্কারক খুলনার কাজী সৈয়দ মুহম্মদ আজিজুল হকের সেই আবিষ্কার চুরি করে নিয়েছিল সন্ত্রাসী ব্রিটিশদের কর্মকর্তা অ্যাডওয়ার্ড হেনরি। মুসলমান বিজ্ঞানীদের আবিষ্কৃীত অনেক কিছুর মতো অ্যাডওয়ার্ড হেনরি, সৈয়দ মুহম্মদ আজিজুল হকের সেই কৃতিত্ব, সেই আবিষ্কার নিজের নামেই চালিয়ে দেয় যা পরবর্তীতে ‘হেনরি সিস্টেম’ বা ‘হেনরি পদ্ধতি’ নামে পরিচিতি লাভ করে। কিন্তু সেই চুরির ঘটনা বেশী দিন গোপন থাকেনি, ইতিহাস গোপন রাখেনি ১০০ বছর পর হলেও ইতিহাসের সেই সত্য, ইতিহাসের সেই তথ্য প্রকাশিত হয়ে পড়েছে।
পাঠক লক্ষ্য করুন, হালযামানায় মুসলিম বিশ্বসহ বাংলাদেশেও পড়া-লেখা করতে ছবি লাগে, চাকরি-ব্যবসা করতে ছবি লাগে, বিদেশ যেতে পাসপোর্টে ছবি, জায়গা-জমি বিক্রীতে ছবি, অপরাধী শনাক্তকরণে ছবি লাগে, যা শরীয়তে সম্পূর্ন হারাম। অথচ ফিঙ্গারপ্রিন্ট তথা আঙুলের ছাপের পদ্ধতি অপরাধী শনাক্তকরণে আজ বিশ্বজুড়ে সমাদৃত-স্বীকৃত এবং ইসলামী শরীয়রতসম্মত না হলেও ইহুদি-নাছারা, কাফির-মুশরিকদের চক্রান্তে আজও মুসলিম বিশ্বে হারাম ছবির ব্যবহার অপরিহার্য তথা বাধ্যতা মূলক করে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। (নাউযুবিল্লাহ) অথচ ইউরোপ-আমেরিকায় ঠিকই হারাম ছবির পরিবর্তে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে ফিঙ্গারপ্রিন্টকে। মুসলমানদের উদ্ভাবিত শরীয়তসম্মত পদ্ধতি মুসলমানরা ব্যবহার করতে পারবে না আর তা কাফিররা নির্বিঘেœ ব্যবহার করে যাবে এমন হীনমন্যতাবোধ মুসলমানদের মাঝে কতকাল চলতে থাকবে-সেটাই চিন্তার বিষয়।

No comments:
Post a Comment