যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে “তুমি” বলে সম্বোধন করা জায়িয নেই -
................................................
এ প্রসঙ্গে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تُحِلُّوْ ا شَعَائِرِ اللهِ يٰايُّهَا
অর্থ: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শনসমূহকে অসম্মান করো না।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে- اَنْزِلُوْا النَّاسَ مَنَازِلَهُمْ অর্থ: “তোমরা মানুষদেরকে সম্মান করো, তাদের পদমর্যাদা অনুযায়ী।” (মিশকাত শরীফ)
এমনিভাবে অসংখ্য পবিত্র আয়াত শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে সম্মানিত ব্যক্তি বা সম্মানিত বিষয়কে সম্মান করার জন্য আদেশ করা হয়েছে ও অসম্মান করতে নিষেধ করা হয়েছে। যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে যিনি সমস্ত কিছুরই মালিক, খালিক্ব মালিক রব মহান মহান আল্লাহ পাক উনাকে সৃষ্টি জীব কী করে অসম্মান করতে পারে? যারা কাফির মুশরিক তারাই উনাকে অসম্মান করবে। খালিক্ব মালিক রব মহান মহান আল্লাহ পাক উনাকে তুমি বলা জায়িয নেই। বরং চরম বেয়াদবির শামিল।
আদব সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- حُسْنُ الْاَدَبِ مِنَ الْاِيَانِ অর্থ: “উত্তম আদব হলো ঈমান উনার অর্ন্তভুক্ত।” (মিশকাত শরীফ)
যার আদব নেই সে বেয়াদব। হযরত আল্লামা জালালুদ্দীন রুমি রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ‘মসনবী শরীফ’ লেখার শুরুতে লিখেছেন, “মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট আদব রক্ষার ব্যাপারে তাওফীক চাচ্ছি। কেননা বেয়াদব খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত থেকে বঞ্চিত।” নাউযুল্লিাহ ।
কাজেই মুসলমানদের জন্য দায়িত্ব কর্তব্য হলো যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন, যিনি হলেন সকল কিছ্রু মূল। আঠারো হাজার মাখলুকাত সবাই যেই মহান সত্তা উনার দিকে রুজু। যিনি আমাদের সকলকে রিযিক দিয়ে থাকেন। আঠারো হাজার মাখলুকাত যারা সকাল-সন্ধ্যা
যার তাসবিহ তাহলিল পাঠ মশগুল উনাকে কেমনে আমরা তুমি করে বলে থাকি? উনাকে তুমি করে বলা কখনোই জায়িজ হবে না। বরং অতি সম্মানের সহিত এইভাবে বলতে হবে-“খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক”।
কাজেই মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদের সকলকে সাইয়্যিদুনা মামদুহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম এবং সম্মানিত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুবারক উসিলায় সঠিকটা শিক্ষার তাওফীক দান করেন। আমীন!
No comments:
Post a Comment