Sunday, January 23, 2022

পাঠ্যবইয়ে ইংরেজ দস্যুদের প্রশংসানামা!

 পাঠ্যবইয়ে ইংরেজ দস্যুদের প্রশংসানামা!


 ১৯ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৩


৫ম শ্রেণীর ‘বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়’ বইয়ের একটি অধ্যায়ের লেখা দেখলে রীতিমত ভিমরী খাওয়ার মতো অবস্থা। বইটির ‘বাংলায় ইংরেজ শাসনের প্রভাব’ শিরোনামে লিখা হয়েছে- “...ইংরেজদের মাধ্যমে এদেশে ইংরেজি শিক্ষার প্রচলন হয়। শিক্ষা বিস্তারে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। রেলগাড়ি, টেলিগ্রাফের প্রচলনের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থার বিশেষ উন্নতি হয়। ছাপাখানার বিকাশে জ্ঞান বিস্তারের সুযোগ বাড়ে। আধুনিক ও ইংরেজি শিক্ষার ফলে এদেশে ক্রমে একটা ইংরেজি শিক্ষতি শ্রেণী গড়ে উঠে। এদের একাংেশের মধ্যে নতুন চেতনার বিকাশ ঘটতে থাকে। এরা নিজেদের সমাজে বহুকাল ধরে প্রচলিত নানা কুসংস্কুর, কুপ্রথা সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠে। এদের হাত ধরেই উনিশ শতকে বাংলায় নবজাগরণ ঘটে। যার ফলে সামাজিক সংস্কারসহ, শিক্ষা, সাহিত্য ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের ব্যাপক প্রসার ঘটে।...”


 যে ইংরেজ জাতি দুইশত বছর ধরে এদেশকে এ জাতিকে লুটেপুটে খেয়ে, এদেশের গোলাভরা ধান, গোয়াল ভরা গরু আর পুকুর ভরা মাছকে খালি করে দিয়ে গেছে, এদেশের লক্ষ লক্ষ মাদরাসা-মক্তবকে বন্ধ করে দিয়েছে, মুসলমানদের দাড়ি-টুপির উপর ট্যাক্স বসিয়েছে সে জাতিই নাকি এসবের বিনিময়ে এদেশকে শিক্ষা-সংস্কৃতি আর জ্ঞান-বিজ্ঞান দিয়ে গেছে। নাউযুবিল্লাহ!


 ছিঃ ধিক্কার ওইসকল পাঠ্যবই লেখকদের, কতটুকু দেশদ্রোহী মনমানসিকতা আর চাটুকার দালাল হলে এধরনের ইতিহাস বিকৃতি লিখা সম্ভব।

 ধিক্কার! ওইসব শিক্ষকদেরও যারা এই অত্যন্ত ঘৃণ্য এই বিকৃত ইতিহাস ছাত্রদের শিক্ষা দিচ্ছে।

 ধিক্কার! ওই সকল মা-বাবা অভিবাকদেরও তারা কেমন পিতা-মাতা- তাদের সন্তান কি শিখছে সেটাও তারা খোঁজ-খবর রাখে না।

No comments:

Post a Comment

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...