Thursday, January 20, 2022

ওলীআল্লাহ উনাদের খিদমত করলে ঈমান নসিব হয় মোঘল শাসক আকবর তারই একটি নমুনা

 ওলীআল্লাহ উনাদের খিদমত করলে ঈমান নসিব হয় মোঘল শাসক আকবর তারই একটি নমুনা


=====================================


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার চরম-পরম বিরোধিতা করার কারণে সম্রাট আকবর যখন লাঞ্চিত হয়ে মারা যাচ্ছিল তখন হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লহি আলাইহি তিনি হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লহি আলাইহি উনার নিকট বাতেনীভাবে সুপারিশ করেন যে, আকবরকে যেন তওবা করার সুযোগ দেয়া হয়। সমসাময়িক বিশিষ্ট ঐতিহাসিক হযরত জাকাউল্লাহ রহমতুল্লহি আলাইহি উনার মতে, আকবর ঈমানের সাথে ইন্তেকাল করে। এখন বাদশাহ আকবরের ইসলাম বিদ্বেষ সর্বজনবিদিত। সে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে বাদ দিয়ে ‘দ্বীনে ইলাহী’ নামক কুফরী ধর্ম চালু করেছিল-এই একটা বিষয়ই তার ইসলাম বিদ্বেষ বোঝার জন্য যথেষ্ট। অর্থাৎ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম দুনিয়ার জমিন থেকে মিটিয়ে দিয়ে তার মনগড়া ধর্ম প্রবর্তন করতে চেয়েছিল। আকবরের ইসলাম বিদ্বেষ লিখতে শুরু করলে বহুখ- কিতাব হয়ে যাবে। আকবরের ইসলাম বিদ্বেষ কতটা ভয়াবহ ছিল তা জানার জন্য দৈনিক আল-ইহসান শরীফ এবং মাসিক আল-বাইয়্যিনাত শরীফ নিয়মিত পাঠ করুন। 

এতটা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিদ্বেষী হওয়ার পরও মৃত্যুর সময় তার ঈমান নছিব হয়। অর্থাৎ সে তওবা করার সুযোগ লাভ করে। মূলত হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লহি আলাইহি উনার সম্মানার্থেই সে ঈমান নিয়ে মৃত্যুবরণ করার তাওফিক লাভ করে। বলা হয়, হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লহি আলাইহি উনার দরবার শরীফের যে বড় দুটি ডেগ (খাবার রান্না করার বড় পাত্র) তারই দেয়া। এছাড়া হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লহি আলাইহি উনার সম্মানিত দরবার শরীফে যখনই মাহফিল হতো আকবর তাতে বড় ধরনের খিদমতের আনজাম দিতো। এই খিদমতের আনজাম সে দিয়েছে কারণ হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লহি আলাইহি উনাকে সে বড় ওলীআল্লাহ মনে করত। হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লহি আলাইহি উনার প্রতি তার এই হুসনে যনই (সুধারণা) তাকে নাজাতের ব্যবস্থা করে দেয়। সে ভারতবর্ষের সম্রাট ছিল। তার সামর্থ্যরে সামান্য অংশও সে খরচ করেনি, তারপরও সে যেহেতু হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লহি আলাইহি উনাকে বড় ওলীআল্লাহ মনে করতো সে কারণেই সে এই কঠিন কুফরী-শিরকী করার পরও তওবা করার সুযোগ লাভ করে। 

বর্তমান যামানায়ও তওবা করার এই সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি। এখনও যদি কেউ কঠিন গুনাহ করার পর তওবা করতে চায় তাহলে তাদেরকে সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ছোহবতে এসে উনার সম্মানার্থে খালিছভাবে তওবা-ইস্তিগফার করতে হবে। তবেই উনার সম্মানার্থে তাদের তওবা কবুল করে খ¦ালিক, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদেরকে খালিছ বান্দা হিসেবে কবুল করে নিবেন ইনশাআল্লাহ! আরও সহজ করে বললে, সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে অনন্তকালের জন্য জারী করেছেন সম্মানিত ‘সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ’ উনার মাহফিল। এই সম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে দোয়া করলে যে যত বড় গোনাহই করুক না কেন মহান আল্লাহ পাক তিনি অবশ্যই তাকে ক্ষমা করে দিবেন ইনশাআল্লাহ! কেননা সম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে দোয়া করলে তা কখনোই বিফলে যেতে পারে না অর্থাৎ কবুল হবেই হবে ইনশাআল্লাহ !

No comments:

Post a Comment

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...