যে যামানার ইমাম উনাকে চিনলো না তার মৃত্যু হবে জাহিলিয়াত যুগের ন্যায়।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি হিজরী শতকের শুরুতে একজন মুজাদ্দিদ প্রেরণ করেন যিনি পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সংস্কার করে থাকেন।” সুবহানাল্লাহ! ঠিক তদ্রুপ বর্তমান যামানার মুজাদ্দিদ হলেন গওসুল আ’যম, হাবীবে আ’যম, আওলাদে রসূল, আস সাফফাহ মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি। যিনি এই যামানায় তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করে কায়িনাত থেকে সমস্ত বিদয়াত দূর করে দিয়ে সম্মানিত পবিত্র সুন্নত উনাকে জারি করছেন এবং বেশরাকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত শিখাচ্ছেন, বেদ্বীনদের দ্বীন দিচ্ছেন। পাশাপাশি হালাল হারাম, সত্য মিথ্যা পার্থক্য করে দিয়ে সকলের পবিত্র ঈমান-আক্বীদাকে নবায়ন করে পরিপূর্ণ পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার উপর দায়িম-ক্বায়িম রাখছেন। সুবহানাল্লাহ!
মূলত, যারা উনার পবিত্র ছোহবত মুবারকে গেছেন এবং উনার মুবারক আদেশ-নিষেধ উনার উপর দৃঢ় রয়েছেন উনারাই কেবল পবিত্র ঈমান উনার উপর থাকতে পারছেন। আর যারা উনাকে হাক্বীক্বীভাবে চিনেন না, জানে না, উনার মুবারক ছোহবত উনার মধ্যে আসেন না- তারা পবিত্র ঈমান উনার উপর দ্বীন ইসলাম উনার বিধি-বিধানের উপর দৃঢ় থাকতে পারবেন না অর্থাৎ তারা মুসলমানিত্বের উপর থাকতে পারবেন না।
মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে ব্যক্তি যামানার ইমাম উনাকে চিনলো না, তার মৃত্যু হবে জাহিলিয়াতির উপর।”
অন্ধকার যুগে যেমন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার আলো ছিল না যার কারণে সে যুগের মানুষেরা বিভিন্ন কুফরী, শিরকী, নিফাকী, মুনাফেকী বিদয়াত, বেশরাতে ডুবে ছিল। ঠিক তদ্রুপ যারা আজ এই পনের শতকের মহান মুজাদ্দিদ উনাকে চিনবে না, জানবে না, মানবে না, উনার মুবারক ছোহবত উনার মধ্যে আসবে না। উনার মুবারক আদেশ-নিষেধ মুতাবিক চলবে না, তাদের অবস্থাও সেই জাহিলিয়া যুগের ন্যায়। অর্থাৎ তারাও ঈমানহারা হয়ে মৃত্যুবরণ করবে। নাঊযুবিল্লাহ! আর তার জায় ঠিকানা একমাত্র জাহান্নাম। কাজেই সকলের উচিত হায়াত থাকতে উনার সম্মানিত ক্বদম মুবারকে এসে নিজের পবিত্র ঈমান-আক্বীদা আমলকে শুদ্ধ করা।
অতএব, মহান আল্লাহ পাক তিনি সবাইকে সেই তাওফীক দান করুন। আমীন।

No comments:
Post a Comment