পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট নিষিদ্ধ করা ও মদদ দেয়া সুস্পষ্ট কুফরী।
_______________________________________
কিছু মানুষের অন্তর কুফর দিয়ে ঢাকা। তাদের অন্তরে মোহর দেয়া। দ্বীন ইসলাম উনার বিধানকে আক্রমণ করে নিজেদের দুর্বলতাকে ঢাকতে চায়। পবিত্র কুরবানী নিয়ে তাদের কতো যে আপত্তি! এগুলোর সাথে জীবহত্যা, পশু অধিকার, করোনা ভাইরাস, ছোঁয়াচে, জীবে দয়া করা বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে চাওয়ার কোন সম্পর্ক নেই। আমাদের কারো যেন এই সত্যটা বোঝার ক্ষেত্রে ভুল না হয়। আমরা পবিত্র কুরবানী করি কারণ এটা মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নত মুবারক হিসেবে উম্মতের জন্য ওয়াজিব বিধান। যুক্তি, গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা হিসেবে এটুকুই যথেষ্ট। যেহেতু তারা পবিত্র কুরবানী বা পশুর হাটের বিরোধিতা করতেছে তাদের ক্ষেত্রে ফতওয়া তো দিতেই হবে এবং প্রতিবাদ করতেই হবে। কারণ মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُنتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنكَرِ وَتُؤْمِنُونَ بِاللَّـهِ
অর্থ: তোমাদেরকে সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মত হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে তাই তোমাদের দায়িত্ব হলো সৎকাজের নির্দেশ দান করবে ও অন্যায় কাজে বাধা দিবে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি খালিছ ঈমান আনবেন। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ ১১০)
সুতরাং যারা প্রতিবাদ করবেন উনারা ঈমানদার হিসেবে সাব্যস্ত হবেন। আর যারা প্রতিবাদ না করে তাদের পক্ষে মদদ দিবে বা সংশ্লিষ্ট থাকবে তারা প্রত্যেকেই ঈমানহারা হবে।
জ্ঞাতব্য, পবিত্র ওযূ নষ্টের আলামত পেলে যেমন ওযূ নষ্ট হয়, ঠিক তেমনি পবিত্র ঈমান নষ্টের আলামত পেলে ঈমান নষ্ট হয়। আর পবিত্র দ্বীন ইসলামের কোন বিষয় যেমন কুরবানী নিয়ে চু-চেরা কিল-কাল করা, পশুর হাট বসতে না দেয়া সবই ঈমান নষ্টের আলামত।
কাজেই পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট নিষিদ্ধ করা ও মদদ দেয়া সুষ্পষ্ট কুফরী। যে বা যারাই পবিত্র কুরবানী নিয়ে এরূপ করবে সে কাট্টা কাফির ও চির জাহান্নামী হবে।

No comments:
Post a Comment