Tuesday, June 15, 2021

পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উভয় ঈদের দিন রোযা রাখা হারাম।

 পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উভয় ঈদের দিন রোযা রাখা হারাম।


_____________________________________

পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উক্ত দুই ঈদের দিন রোযা রাখা হারাম এবং একইভাবে পবিত্র ঈদুল আদ্বহার পরবর্তী তিন দিন রোযা রাখাও হারাম। যেমন এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দুই ঈদে রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন - ঈদুল ফিতরের দিন ও ঈদুল আদ্বহার দিন। (মুত্তাফাকুন আলাইহি)

অন্য এক বর্ণনায় বর্ণিত হয়েছে, দুই দিন কোন রোযা নেই - ঈদুল ফিতরের দিন ও ঈদুল আদ্বহার দিন। (মুত্তাফাকুন আলাইহি) 


হযরত নাবশাহ আল জুযালী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, সাইয়িদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আইয়্যামে তাশরীক হচ্ছে পানাহার ও মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করার দিন। কুরবানীর ঈদের পর ১১, ১২ ও ১৩ যিলহজ্জ তারিখে আরবগণ গোশত শুকাতেন বলে উক্ত দিন সমূহকে আইয়্যামে তাশরীক বা গোশত শুকানোর দিন বলা হয়। উক্ত তারিখ বা দিনসমূহেও রোযা রাখা হারাম। (মুসলিম শরীফ)

অনুরূপ আরো অনেক বর্ণনা রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখ রয়েছে যে, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আদ্বহা এবং ঈদুল আদ্বহা উনার পরবর্তী তিনদিন রোযা রাখা হারাম।


অথচ সম্প্রতি বর্তমান সরকারের ধর্মপ্রতিমন্ত্রী গত বছর পবিত্র ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখার সংবাদ পাওয়া সত্বেও চাঁদ দেখতে না পাওয়ার মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন রোযা রাখিয়ে কোটি কোটি মুসলমানকে হারাম তথা কবীরা গুনাহে গুনাহগার বানানোর চেষ্টা করেছিল। নাউযুবিল্লাহ!

No comments:

Post a Comment

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...