" শোনেন, শোনেন দেশবাসী,
শোনেন মন দিয়া।"
এবার আমি বলে যাবো - " শ্যামারচর- পেরুয়া গণহত্যার " কাহিনী,
ঠিক রাখিয়ো মন।
এবার জেনে নিন মহাসম্মানিত রাজারবাগ দরবার শরীফের বিরুদ্ধে রিটকারী এ্যাডভোকেট শিশির মনিরের পারিবারিক পরিচয় কি ?
গত ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ তারিখে মহাসম্মানিত রাজারবাগ দরবার শরীফের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করে আইনজীবি শিশির মনির। শিশির মনির এক সময় জামায়াতের ছাত্র সংগঠন শিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি ছিলো এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্যে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষের আইনজীবি সে। তবে তার পারিবারিক পরিচয় জানাও খুব গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যে কয়টি বড় গণহত্যা সংগঠিত হয়, তার মধ্যে অন্যতম গণহত্যার নাম শ্যামারচর-পেরুয়া গণহত্যা। শ্যামারচর ও পেরুয়া হচ্ছে সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার দুটি গ্রামের নাম। ১৯৭১ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর প্রায় ৩শ’ রাজাকারের একটি বাহিনী শ্যামারচর ও পেরুয়াসহ আশেপাশের ১০-১২টি গ্রামে নির্মম গণহত্যা চালায়। এ সময় তারা শত শত নিরীহ মানুষকে ব্রাশ ফায়ার করে হত্যা করে, অনেক নারীকে সম্ভ্রমহরণ করে। ইতিহাসের পাতায় এ গণহত্যাটি শ্যামারচর-পেরুয়া গণহত্যা নামে পরিচিত। ঐ গণহত্যার নেতৃত্ব দিয়েছিলো সত্তরের প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিম লীগের পরাজিত প্রার্থী আব্দুল খালেক ওরফে দালাল খালেক। তার সাথে ছিলো তার ভাই মুকিত মনির, সন্তান জোবায়ের মনির ও প্রদীপ মনির।
শ্যামারচর-পেরুয়া গণহত্যার নেতা দালাল খালেক হচ্ছে এ্যাডভোকেট শিশির মনিরের আপন চাচা এবং রাজাকার মুকিত মনির হচ্ছে এ্যাডভোকেট শিশির মনির বাবা এবং রাজাকার জোবায়ের মনির ও রাজাকার প্রদীপ মনির হচ্ছে শিশির মনিরের চাচাতো ভাই।
২০১৬ সালে এই রাজারকার পরিবারের বিরুদ্ধে ৭১ সালে গণহত্যার দায়ে মামলা দায়ের করা হয়। বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাদের বিচারকাজ চলমান আছে। তবে এ্যাডভোকেট শিশির মনিরের বাবা রাজাকার মুকিত মনির ও চাচা রাজাকার প্রদীপ মনির বিদেশে পলাতক আছে।
No comments:
Post a Comment