প্রতিটি সেক্টরে সেক্টরে প্রতিটি স্তরে স্তরে প্রশাসনের রন্দ্রে রন্দ্রে একের পর এক যেভাবে বিধর্মী-সংখ্যালঘুদের সরকার নিয়োগ দিয়ে যাচ্ছে- তাতে করে দেশের মূল জনগোষ্ঠি মুসলমানরা আর চুপ থাকতে পারছে না। যেখানে দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমান আর মাত্র ১.৫ ভাগেরও কম সংখ্যালঘু, সেখানে কি করে সরকার এভাবে বিধর্মী-উপজাতি, মূর্তিপূজারীদের প্রাধান্য দিয়ে যাচ্ছে?
বাংলাদেশের লক্ষ-কোটি মুসলমানদের বেকার রেখে, বঞ্চিত করে বিধর্মী-সংখ্যালঘুদের প্রাধান্য দিয়ে বিভিন্ন চাকরিতে নিয়োগ দিয়ে যাচ্ছে। ‘সংখ্যালঘুর অধিকার’ নামক প্রতারণামূলক ধুয়া তুলে সরকারি আমলারা দেশজুড়ে দেশের প্রতিটি স্তরে স্তরে বিধর্মীকরণ করে যাচ্ছে। কথায় আছে- কম জাতের লোক উচ্চপদ পেলে অধীনস্থদের যুলুম করে। সংখ্যালঘুদের মতো অজাত ও ঐতিহাসিক চাটুকার, বেঈমানদের অবস্থা যে কি তা এখন দেশের সরকারও কমবেশি টের পাচ্ছে। তবে বড় ব্যপার হলো- তারা মুসলমানদের প্রতি যুলুম করে যাচ্ছে। এমনকি তারা যে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে দেশব্যাপী মুসলমানবিরোধী ও দেশবিরোধী কাজের রসদ যুগিয়ে যাচ্ছে তা আর চুপানোও নেই। যেমন সুরঞ্জিত নামক সরকারি দলের উচ্চ পর্যায়ের এক নেতা সংবিধান থেকে ‘পবিত্র বিসমিল্লাহ’ ও ‘রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম’ বাদ দেয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছিলো। কিন্তু মুসলমানদের রক্তচক্ষু দেখে ঘাবড়ে পিছু হটে তারা।
এভাবে অনেক বিধর্মী-অমুসলিমরা আজ সংঘবদ্ধ ও পরিকল্পিতভাবে প্রশাসনের বিভিন্ন উচ্চপদে থেকে দেশকে বিধর্মীকরণের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। যে কারণে আজ দেশের পাঠ্যপুস্তকের প্রতিটি শ্রেণীর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত থাকে নাস্তিক কবি-লেখকদের লেখার বহর। দেশীয় সংস্কৃতিকেও তারা করছে কলুষিত। নানারকম পূজায় যেভাবে সরকারের আমলারাও মেতে উঠে তাতে করে বুঝাই যায় তারা এখন কত বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।
সংখ্যালঘুদের নিয়ে দেশব্যাপী সরকার যেভাবে বিপ্লব(!) শুরু করে দিয়েছে, মূর্তিপূজারী-উপজাতিদের সে সব কুকীর্তি ও ষড়যন্ত্র নিয়ে লেখতে গেলে দিস্তা দিস্তা পৃষ্ঠাই শেষ হবে কিন্তু সে সব বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না। বিশেষ করে মুসলমানদের ঐতিহাসিক শত্রু যবন মেøচ্ছরা যেভাবে মুসলমানবিরোধী ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিরোধী ষড়যন্ত্র পাকাপোক্ত করেছে তা দেশের মুসলমানদের অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ।
এ অবস্থা আর চলতে দেয়া যায় না। তাই এখনই চূড়ান্ত সময়, সরকারকে তার সুস্পষ্ট অবস্থান ব্যাখ্যা করার- দেশের সরকার কি এভাবে একের পর এক বিধর্মী-সংখ্যালঘুদের প্রাধান্য দেয়া চালিয়ে যাবে; নাকি দেশের মূল জনগোষ্ঠি মুসলমানদের অধিকারকে প্রাধান্য দিবে?

No comments:
Post a Comment