ইতিহাসের ধূম্রজালে হালাল সামা বনাম হারাম সঙ্গীত-৩
ভারতের আজমীর শরীফ-এ শুয়ে আছেন ৭ম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, সুলত্বানুল হিন্দ, খাজা গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি (৫৩৬-৬৩৩ হিজরী) এবং দিল্লীতে রয়েছেন ৮ম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মাহবুব-ই-ইলাহী হযরত নিযামুদ্দিন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি (৬৬০-৭৪৫ হিজরী)। এই মহান মুজাদ্দিদদ্বয় সুন্নতের অনুসরণে হামদ-নাত-ক্বাছীদা শুনতেন এবং সামা শরীফ-এর মাহফিলের আয়োজন করতেন। আজকে উনাদের মাযার শরীফ প্রাঙ্গনে আয়োজিত কাওয়ালী অনুষ্ঠান দিয়ে উনাদের সামা শরীফ শোনার বিষয়টি যেমনি উপলব্ধি করা সম্ভব নয়, তেমনি কিছু কিতাবী ইলম দিয়ে মুজাদ্দিদগণ উনাদের পরিচয় পাওয়া সম্ভব নয়। তবুও আমরা মুজাদ্দিদগণ উনাদের উপর কিছুটা আলোচনা করবো যাতে বোঝা যায় উনাদের পক্ষে কাওয়ালী শোনা কী আদৌ সম্ভব ছিল কিনা। যদিও এ রকম ধারণা করাও আদবের খিলাফ কিন্তু আমাদের লেখার স্বচ্ছতা এবং সাধারণের উপলব্ধিকে শানিত করার লক্ষ্যেই এই চেষ্টা।
হাদীছে কুদছী শরীফ-এ রয়েছে, যা আবূ দাউদ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে যে, “প্রত্যেক হিজরী শতকের শুরুতে মহান আল্লাহ পাক তিনি একজন মুজাদ্দিদ পাঠাবেন, যিনি দ্বীনের তাজদীদ করবেন।” একজন মানুষ কষ্ট সাধনা করে ওলীআল্লাহ হতে পারেন কিন্তু মুজাদ্দিদ হিসেবে আসা মানুষের ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল নয়। মুজাদ্দিদগণ উনারা বিশেষভাবে মনোনীত। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে দ্বীন রেখে গেছেন, মুজাদ্দিদগণ উনারা এর প্রকৃত ওয়ারিছ। উনারা হুবহু সেই দ্বীনকে আবার জাগরিত করেছেন, করে যাচ্ছেন এবং করবেন। সামান্য কমও নয়, বেশিও নয়।
-------------------------
সুন্নতী ক্বাছীদাহ শরীফ শুনুন ও প্রচার করুন
হারাম গান-বাজনা থেকে বিরত থাকুন
সুন্নত উনার আমল দেখুন শিখুন।
৩-দিনব্যাপী আযীমুশশান সামা শরীফ মাহফিল।
স্থানঃ সুন্নতী জামে মসজিদ, রাজারবাগ শরীফ
সময়ঃ বাদ মাগরীব
তারিখঃ ২৯শে রবীউল আউওয়াল শরীফ থেকে ২ রবীউস ছানী শরীফ, ১৪৪২ হিজরী
অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচার শুনুনঃ
http://al-hikmah.net/
https://www.facebook.com/alhikmah.net/

No comments:
Post a Comment