Saturday, August 29, 2020

হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি কতটুকু আদব রক্ষা করতে হবে?

 হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি কতটুকু আদব রক্ষা করতে হবে?


===================================

হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে কতটুকু আদব রক্ষা করতে হবে, সে প্রসঙ্গে ইমামুত তরীক্বত ওয়াশ শরীয়ত হযরত ইমাম সাররী সাকতী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ঘটনা কিতাবে উল্লেখ করা হয়। একবার তিনি স¦প্নে দেখেন মহান আল্লাহ পাক উনার নবী হযরত ইয়াকুব আলাইহিস সালাম উনাকে। দেখে প্রশ্ন করেছিলেন, হে মহান আল্লাহ পাক উনার নবী হযরত ইয়াকুব আলাইহিস সালাম! আমরা জানি আপনার অন্তরে মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত পরিপূর্ণ বিদ্যমান, তারপরও আপনি আপনার ছেলে মহান আল্লাহ পাক উনার আরেক নবী হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম উনার জুদায়ীর (বিচ্ছেদের) কারণে উনার মুহব্বতে চল্লিশ বছর যাবত কেঁঁদে কেঁদে আপনার চক্ষু মুবারক নষ্ট করেছিলেন। একথা বলার সাথে সাথে গায়িব থেকে নেদা (আওয়াজ) হলো, “হে হযরত সাররী সাকতী রহমতুল্লাহি আলাইহি! হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের শান মুবারক অনুযায়ী কথা বলুন।”এরপর হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম উনাকে হযরত সাররী সাকতী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সামনে পেশ করা হলে তিনি উনাকে দেখে বেহুঁশ হয়ে যান এবং এভাবে একাধারা তের দিন, তের রাত্রি বেঁহুশ থাকার পর হুঁশ ফিরে পান। তখন গায়িব থেকে পুনরায় নেদা হয়, “মহান আল্লাহ পাক উনার নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের শান মুবারক অনুযায়ী কথা না বললে এরূপই অবস্থা হয়ে থাকে।” (তাযকিরাতুল আওলিয়া)এ ওয়াকিয়ার আলোকে প্রতিভাত হয় যে, হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের ক্ষেত্রে কি পরিমাণ আদবের সাথে কথা বলতে হবে? সত্যিই তা চিন্তা-ফিকিরের বিষয়। তাহলে উনারা ভুল-ত্রুটি বা গুনাহখতা করেছেন বলাটা উনাদের পবিত্র শান মুবারক উনার কী পরিমাণ খিলাফ ও বেয়াদবী অর্থাৎ কুফরী তা সহজেই অনুধাবন করা যায়।

No comments:

Post a Comment

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...